
বজ্রপাতে প্রাণহানি রোধে ঝুঁকিপূর্ণ ১৫ জেলায় আশ্রয়কেন্দ্র তৈরির সিদ্ধান্ত
বজ্রপাতের কবল থেকে মানুষের জীবন বাঁচাতে সরকার নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোয় বিশেষ বজ্রনিরোধক ব্যবস্থাসহ মাল্টিপারপাস আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য আরিফা সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, হাওর ও চলনবিল অঞ্চলের কৃষক এবং জেলেরা প্রায়ই কাজের সময় বজ্রপাতের শিকার হচ্ছেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের আদলে বজ্রনিরোধক দণ্ড ও সতর্কতা অ্যালার্ম স্থাপন করে মাল্টিপারপাস আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এতে বগুড়া, পাবনা, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ ও হাওর এলাকাগুলো অগ্রাধিকার পাবে। আকাশে বজ্রঝড়ের আশঙ্কা দেখা দিলে কৃষক ও জেলেরা এসব কেন্দ্রে নিরাপদ আশ্রয় নিতে পারবেন।
সরকার ইতিমধ্যে বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রতি বছর মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত সারাদেশে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হয়। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, চলনবিলসহ সব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ফলে বজ্রপাতজনিত মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
সম্পর্কিত খবর
ঢাকা-কুমিল্লায় ৮১ কিমির উড়াল রেলপথ, বাঁচবে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা
রূপগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের বড় অভিযান
রংপুরের পীরগঞ্জে পৌরসভার ভবনের ছাদ ধসে প্রাণ গেল ২ শ্রমিকের
হুথি আগ্রাসনে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস এরদোয়ানের
দুর্গাপূজা সুন্দরভাবেই হবে, কোনো দুর্ঘটনার ঝুঁকি নেই: ডিএমপি
সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনে আগুন, ফায়ার সার্ভিস পৌঁছার আগেই নিয়ন্ত্রণে

আরও পড়ুন

বজ্রপাতে প্রাণহানি রোধে ঝুঁকিপূর্ণ ১৫ জেলায় আশ্রয়কেন্দ্র তৈরির সিদ্ধান্ত
বজ্রপাতের কবল থেকে মানুষের জীবন বাঁচাতে সরকার নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোয় বিশেষ বজ্রনিরোধক ব্যবস্থাসহ মাল্টিপারপাস আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য আরিফা সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, হাওর ও চলনবিল অঞ্চলের কৃষক এবং জেলেরা প্রায়ই কাজের সময় বজ্রপাতের শিকার হচ্ছেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের আদলে বজ্রনিরোধক দণ্ড ও সতর্কতা অ্যালার্ম স্থাপন করে মাল্টিপারপাস আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এতে বগুড়া, পাবনা, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ ও হাওর এলাকাগুলো অগ্রাধিকার পাবে। আকাশে বজ্রঝড়ের আশঙ্কা দেখা দিলে কৃষক ও জেলেরা এসব কেন্দ্রে নিরাপদ আশ্রয় নিতে পারবেন।
সরকার ইতিমধ্যে বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রতি বছর মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত সারাদেশে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হয়। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, চলনবিলসহ সব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ফলে বজ্রপাতজনিত মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
সম্পর্কিত খবর
ঢাকা-কুমিল্লায় ৮১ কিমির উড়াল রেলপথ, বাঁচবে দেড় থেকে…
রূপগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের বড় অভিযান
রংপুরের পীরগঞ্জে পৌরসভার ভবনের ছাদ ধসে প্রাণ গেল…
হুথি আগ্রাসনে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস এরদোয়ানের
দুর্গাপূজা সুন্দরভাবেই হবে, কোনো দুর্ঘটনার ঝুঁকি নেই: ডিএমপি
সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনে আগুন, ফায়ার সার্ভিস পৌঁছার…