
শেখ হাসিনাকে ফেরানোর দাবিতে সাংবাদিক আজিজের নামে ভুয়া ফটোকার্ড

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়াতে সিনিয়র সাংবাদিক এম এ আজিজের নাম ও ছবি ব্যবহার করে একটি ভুয়া ফটোকার্ড প্রচার করা হয়েছে। কালের কণ্ঠ পত্রিকার লোগো ও ডিজাইন ব্যবহার করে তৈরি এই ফটোকার্ডে দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর দাবিতে লাখো জনতা রাস্তায় নামবে। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ওই শিরোনামে পত্রিকাটি কোনো সংবাদ প্রকাশ করেনি এবং এটি সম্পূর্ণ কৃত্রিমভাবে তৈরি।
ফটোকার্ডটির বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এতে ব্যবহৃত তারিখ ২৯ মার্চ, ২০২৬ যা ভবিষ্যতের। এছাড়াও কালের কণ্ঠের মূল ফটোকার্ডের ধরন এবং শিরোনামের ফন্টের সাথে ভুয়াটির স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় পত্রিকাটির ডিজাইন নকল করে এই মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়েছে। আসলে এম এ আজিজ জুলাই সনদ ও বর্তমান সরকারের বৈধতা নিয়ে আলোচনা করলেও শেখ হাসিনাকে ফেরানোর দাবি নিয়ে এমন মন্তব্য করেননি।
এ ধরণের অপপ্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। ফ্যাক্টচেক রিপোর্টে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ওই ফটোকার্ডটি ভুয়া এবং কোনো আন্তরিক বার্তা প্রদানের উদ্দেশ্যে এটি তৈরি করা হয়নি।
সম্পর্কিত খবর
গুলিস্তানে উচ্ছেদ অভিযান: সরলেও স্থাপনা রেখে দখলে হকাররা
বিদেশে যেতে চান? সহজ শর্তে মিলছে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত…
পাইপলাইনে দেশে এলো ভারত থেকে আমদানি করা আরও ৭ হাজার…
পাবনা-রাজবাড়িসহ চার জেলায় নতুন ডিসি, আদেশ জারি
ফ্যামিলি কার্ডের টাকা পাচার হবে না, ঘুরে আসবে স্থানীয় বাজারে:…
সংসদে ইশতেহার বাস্তবায়নে ৫ বছরের রূপরেখা ও সাফল্যের হিসাব দিলেন…

আরও পড়ুন

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর দাবিতে সাংবাদিক আজিজের নামে ভুয়া ফটোকার্ড

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়াতে সিনিয়র সাংবাদিক এম এ আজিজের নাম ও ছবি ব্যবহার করে একটি ভুয়া ফটোকার্ড প্রচার করা হয়েছে। কালের কণ্ঠ পত্রিকার লোগো ও ডিজাইন ব্যবহার করে তৈরি এই ফটোকার্ডে দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর দাবিতে লাখো জনতা রাস্তায় নামবে। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ওই শিরোনামে পত্রিকাটি কোনো সংবাদ প্রকাশ করেনি এবং এটি সম্পূর্ণ কৃত্রিমভাবে তৈরি।
ফটোকার্ডটির বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এতে ব্যবহৃত তারিখ ২৯ মার্চ, ২০২৬ যা ভবিষ্যতের। এছাড়াও কালের কণ্ঠের মূল ফটোকার্ডের ধরন এবং শিরোনামের ফন্টের সাথে ভুয়াটির স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় পত্রিকাটির ডিজাইন নকল করে এই মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়েছে। আসলে এম এ আজিজ জুলাই সনদ ও বর্তমান সরকারের বৈধতা নিয়ে আলোচনা করলেও শেখ হাসিনাকে ফেরানোর দাবি নিয়ে এমন মন্তব্য করেননি।
এ ধরণের অপপ্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। ফ্যাক্টচেক রিপোর্টে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ওই ফটোকার্ডটি ভুয়া এবং কোনো আন্তরিক বার্তা প্রদানের উদ্দেশ্যে এটি তৈরি করা হয়নি।