যৌথ খতিয়ানে কর পরিশোধের জটিলতা কমাতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ৬ নির্দেশনা
যৌথ মালিকানার খতিয়ানে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধে চলমান জটিলতা ও হয়রানি দূর করতে ছয়টি নির্দেশনা জারি করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাইজেশন, নলেজ ম্যানেজমেন্ট ও পারফরমেন্স (ডিকেএমপি) অনুবিভাগ থেকে পরিপত্র জারি করে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে যৌথ খতিয়ানের পূর্ণ কর একসঙ্গে পরিশোধ করা সম্ভব না হলে বণ্টননামার মাধ্যমে পৃথক খতিয়ান তৈরির পথ খুলে দেওয়া হয়েছে।
বর্তমান বিধান অনুযায়ী, যৌথ মালিকানার খতিয়ানের সামগ্রিক জমির ভূমি উন্নয়ন কর একত্রে পরিশোধ বাধ্যতামূলক। ফলে হিস্যা অনুযায়ী এক বা একাধিক মালিকের জমি কিংবা খতিয়ানের আংশিক জমির জন্য আলাদাভাবে কর দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ‘ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২৩’-এর ৬(৩) ধারায় উত্তরাধিকার সংক্রান্ত যে বিধান রয়েছে, তার কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে পরিপত্রে।
পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, খতিয়ানের সব মালিক কর পরিশোধে আগ্রহী না হলে একজন বা একাধিক মালিক নিজেদের হিস্যার জমির কর পৃথকভাবে দিতে পারেন না। আবার কোনো মালিকের পক্ষে সম্পূর্ণ জমির কর পরিশোধ করাও কঠিন, যা যুক্তিসঙ্গত বা সমীচীন নয়। এতে নিজের অংশ হস্তান্তর বা অন্য প্রয়োজনে কর দিতে না পেরে বহু মালিক বিভিন্ন ধরনের হয়রানির মুখে পড়ছেন।
জটিলতা নিরসনে দেওয়া নির্দেশনার মধ্যে প্রথমটিতে বলা হয়েছে, অনিবার্য কারণে যৌথ মালিকানার খতিয়ানের সম্পূর্ণ জমির কর একসঙ্গে পরিশোধ করা সম্ভব না হলে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ বা দাখিলা ছাড়াই রেজিস্টার্ড বণ্টননামা দলিল কিংবা আদালতের মাধ্যমে বণ্টননামা করা যাবে। এ ছাড়া পরিপত্রে মোট ছয়টি নির্দেশনার বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

