সংসদে বাবরের দাবি: স্বাধীনতা রক্ষায় র্যাবের মতো বাহিনীর বিকল্প নেই
দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাবের মতো একটি বাহিনীর বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন নেত্রকোনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল নিয়ে আলোচনায় অংশ নেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন। ওই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
র্যাবের স্থলে এসআরবি গঠনের সঙ্গে দ্বিমত না করেও বাবর জোর দিয়ে বলেন, বোমা হামলার ঘটনা এখনো বন্ধ হয়নি, আর পার্শ্ববর্তী একটি দেশ নানা কৌশলে তৎপরতা চালাচ্ছে, যা অতীতেও হয়েছে। তাঁর ভাষায়, এই বাস্তবতার কারণেই র্যাবের মতো একটি সংগঠন এখনো অত্যন্ত প্রয়োজন এবং তা দক্ষতা, শ্রদ্ধা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পরিচালনা করা দরকার।
বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৫ বছরের দুঃশাসনের চিত্র সবার চোখের সামনে। ১৭ আগস্টে দেশজুড়ে সিরিজ বোমা হামলার পর শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারে র্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, সাফল্যের সময় বিভিন্ন জায়গায় মিষ্টি বিতরণও হয়েছিল – যা সম্মানিত বিরোধী দলের সদস্যরা ভুলে গেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি দাবি করেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে তৎকালীন সময়ে র্যাবকে এক ঘণ্টার জন্যও বিরোধী দলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়নি। তিনি জানান, র্যাব নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর আলাপ হলে তিনি বাহিনীটি পরিবর্তনের প্রস্তাব দিলে দীর্ঘক্ষণ যুক্তি দিয়ে তার বিরোধিতা করেন।
তবে র্যাবের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের প্রসঙ্গে বাবর বলেন, বাহিনীটির দুষ্কর্মের কথা তিনিও বলেছেন এবং এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী তিনি নিজেই। ২৮ মে ২০০৭ সালে মিথ্যা অস্ত্র দেখিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যার সাক্ষী ছিলেন র্যাবের একজন উইং কমান্ডার – এ কথা বলতে তাঁর কাছে দুঃখজনক মনে হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

