নদী দূষণ রোধে কঠোর ব্যবস্থা, চার বছরে উন্নতির আশা
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের পরিবেশের উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন চোখে পড়বে। বুধবার (৮ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
রাজধানীর আশপাশের নদীগুলোর দূষণের উৎস চিহ্নিত করার কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। মন্ত্রী জানান, বুড়িগঙ্গা ছাড়াও তুরাগ, বালু ও ধলেশ্বরী নদী একই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, টেক্সটাইল ডাইং এবং চামড়া শিল্প এই দূষণের প্রধান কারণ। অনেক কারখানায় বর্জ্য শোধনাগার থাকলেও সেগুলো যথাযথভাবে ব্যবহার করা হয় না বা গোপন পাইপের মাধ্যমে বর্জ্য নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে কঠোর তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং পানি, বায়ু ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে ৭০ থেকে ৮০টি সূচক নির্ধারণ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে একটি বেসলাইন তৈরি করা হবে এবং প্রতি বছর অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হবে। মন্ত্রী স্বীকার করেন যে এক বছরে বড় ধরনের পরিবর্তন আসা কঠিন, তবে চার বছরের ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় পরিবেশের গুণগত পরিবর্তন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

