
হাম প্রতিরোধে রোববার থেকে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু

দেশে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই তথ্য জানিয়েছেন।
মন্ত্রী জানান, পরিস্থিতি সামাল দিতে ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার বৈশ্বিক জোট গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন ইনিশিয়েটিভের (গ্যাভি) কাছ থেকে ২১ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডোজ টিকা ধার নিয়েছে সরকার। পরবর্তী সময়ে এই টিকার ডোজগুলো তাদের ফেরত দেওয়া হবে। এছাড়াও আগামী জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে এক মাসব্যাপী একটি বিশেষ ক্যাম্পেইন চালু করা হবে, যার আওতায় প্রায় ২ কোটি শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে।
রুটিন টিকাদান কর্মসূচির বাইরে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে যাতে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের দ্রুত সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করেছে।
সম্পর্কিত খবর
গুলিস্তানে উচ্ছেদ অভিযান: সরলেও স্থাপনা রেখে দখলে হকাররা
বিদেশে যেতে চান? সহজ শর্তে মিলছে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত…
পাইপলাইনে দেশে এলো ভারত থেকে আমদানি করা আরও ৭ হাজার…
পাবনা-রাজবাড়িসহ চার জেলায় নতুন ডিসি, আদেশ জারি
ফ্যামিলি কার্ডের টাকা পাচার হবে না, ঘুরে আসবে স্থানীয় বাজারে:…
সংসদে ইশতেহার বাস্তবায়নে ৫ বছরের রূপরেখা ও সাফল্যের হিসাব দিলেন…

আরও পড়ুন

হাম প্রতিরোধে রোববার থেকে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু

দেশে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই তথ্য জানিয়েছেন।
মন্ত্রী জানান, পরিস্থিতি সামাল দিতে ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার বৈশ্বিক জোট গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন ইনিশিয়েটিভের (গ্যাভি) কাছ থেকে ২১ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডোজ টিকা ধার নিয়েছে সরকার। পরবর্তী সময়ে এই টিকার ডোজগুলো তাদের ফেরত দেওয়া হবে। এছাড়াও আগামী জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে এক মাসব্যাপী একটি বিশেষ ক্যাম্পেইন চালু করা হবে, যার আওতায় প্রায় ২ কোটি শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে।
রুটিন টিকাদান কর্মসূচির বাইরে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে যাতে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের দ্রুত সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করেছে।