
শোলাকিয়ায় ইতিহাস: রেকর্ড ৬ লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে ঈদের জামাত
ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে এবার নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে অনুষ্ঠিত ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে প্রায় ছয় লাখ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেছেন, যা এই ময়দানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ভোর থেকেই লাখো মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো কিশোরগঞ্জ শহর।
সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এই জামাতে ইমামতি করেন শহরের বড়বাজার জামে মসজিদের খতিব মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ ছাইফুল্লাহ। জেলা প্রশাসক ও ঈদগাহ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানিয়েছেন, সারাদেশ থেকে আগত ধর্মপ্রাণ মানুষের ঢল এবার এতটাই বেশি ছিল যে ময়দানের বাইরের রাস্তা, বাসার ছাদ এবং নরসুন্দা নদীর তীর পর্যন্ত কাতার পেতে নামাজ আদায় করতে হয়েছে। ঈদের আগের রাত থেকেই কিশোরগঞ্জমুখী মানুষের যাতায়াত শুরু হয়ে যায়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এবং সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে দেশ ও মুসলিম উম্মাহর সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এছাড়াও ফিলিস্তিনে বসবাসরত মুসলমানদের নিরাপত্তা ও শান্তির জন্য সবাই দোয়া চান।
সম্পর্কিত খবর
দেশে অস্থিরতা বরদাস্ত করা হবে না: চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হিরোশিমার ক্ষত শুকায়নি, মানবতার ওপর হামলা অব্যাহত
হাটহাজারীতে শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
ঢাকায় বসছে বিশ্বনেতাদের সমাবেশ, ৩ অক্টোবর শুরু বে অব বেঙ্গল
বাকিডিরা কোটি কোটি, এখনো জিন্দা: স্যারদের উদ্দেশ্যে ফারুকীর বার্তা
সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সরকারের উদ্যোগ

আরও পড়ুন

শোলাকিয়ায় ইতিহাস: রেকর্ড ৬ লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে ঈদের জামাত
ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে এবার নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে অনুষ্ঠিত ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে প্রায় ছয় লাখ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেছেন, যা এই ময়দানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ভোর থেকেই লাখো মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো কিশোরগঞ্জ শহর।
সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এই জামাতে ইমামতি করেন শহরের বড়বাজার জামে মসজিদের খতিব মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ ছাইফুল্লাহ। জেলা প্রশাসক ও ঈদগাহ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানিয়েছেন, সারাদেশ থেকে আগত ধর্মপ্রাণ মানুষের ঢল এবার এতটাই বেশি ছিল যে ময়দানের বাইরের রাস্তা, বাসার ছাদ এবং নরসুন্দা নদীর তীর পর্যন্ত কাতার পেতে নামাজ আদায় করতে হয়েছে। ঈদের আগের রাত থেকেই কিশোরগঞ্জমুখী মানুষের যাতায়াত শুরু হয়ে যায়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এবং সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে দেশ ও মুসলিম উম্মাহর সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এছাড়াও ফিলিস্তিনে বসবাসরত মুসলমানদের নিরাপত্তা ও শান্তির জন্য সবাই দোয়া চান।
সম্পর্কিত খবর
দেশে অস্থিরতা বরদাস্ত করা হবে না: চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী…
হিরোশিমার ক্ষত শুকায়নি, মানবতার ওপর হামলা অব্যাহত
হাটহাজারীতে শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রী তারেক…
ঢাকায় বসছে বিশ্বনেতাদের সমাবেশ, ৩ অক্টোবর শুরু বে…
বাকিডিরা কোটি কোটি, এখনো জিন্দা: স্যারদের উদ্দেশ্যে ফারুকীর…
সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সরকারের…