
মার্কিন হামলায় মিত্র হারালেও নীরব চীন, কূটনীতি নাকি বাধ্যবাধকতা?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বেইজিংয়ের দুই ঘনিষ্ঠ মিত্র—ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে টার্গেট করেছেন। একজনকে অপহরণ করে আটক করা হয়েছে, অন্যজন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন। তবে মিত্রদের এমন বিপদের মুখেও চীন কেবল কূটনৈতিক নিন্দা প্রকাশ করেছে, কোনো বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, চীনের এই নীরবতার পেছনে কাজ করছে শি জিনপিংয়ের কঠোর বাস্তববাদ। বেইজিংয়ের মূল লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, বিশেষ করে আসন্ন ট্রাম্প-শি শীর্ষ সম্মেলনকে সামনে রেখে। এছাড়া ওয়াশিংটনের সামরিক ফোকাস ইন্দো-প্যাসিফিক থেকে সরে যাওয়াকে চীন স্বস্তিদায়ক হিসেবেই দেখছে।
ওয়াশিংটনভিত্তিক ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অব ডেমোক্রেসিসের ক্রেইগ সিঙ্গেলটন বলেন, চীন কথায় পটু হলেও ঝুঁকি নিতে চায় না। তারা তেহরানকে বড় ধরনের সহায়তা দেবে না। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের উইলিয়াম ইয়াংও মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও সম্পর্ক রক্ষায় বেইজিং উত্তেজনা বাড়াতে আগ্রহী নয়। মধ্যপ্রাচ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই এখন তাদের মূল অগ্রাধিকার।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

মার্কিন হামলায় মিত্র হারালেও নীরব চীন, কূটনীতি নাকি বাধ্যবাধকতা?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বেইজিংয়ের দুই ঘনিষ্ঠ মিত্র—ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে টার্গেট করেছেন। একজনকে অপহরণ করে আটক করা হয়েছে, অন্যজন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন। তবে মিত্রদের এমন বিপদের মুখেও চীন কেবল কূটনৈতিক নিন্দা প্রকাশ করেছে, কোনো বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, চীনের এই নীরবতার পেছনে কাজ করছে শি জিনপিংয়ের কঠোর বাস্তববাদ। বেইজিংয়ের মূল লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, বিশেষ করে আসন্ন ট্রাম্প-শি শীর্ষ সম্মেলনকে সামনে রেখে। এছাড়া ওয়াশিংটনের সামরিক ফোকাস ইন্দো-প্যাসিফিক থেকে সরে যাওয়াকে চীন স্বস্তিদায়ক হিসেবেই দেখছে।
ওয়াশিংটনভিত্তিক ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অব ডেমোক্রেসিসের ক্রেইগ সিঙ্গেলটন বলেন, চীন কথায় পটু হলেও ঝুঁকি নিতে চায় না। তারা তেহরানকে বড় ধরনের সহায়তা দেবে না। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের উইলিয়াম ইয়াংও মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও সম্পর্ক রক্ষায় বেইজিং উত্তেজনা বাড়াতে আগ্রহী নয়। মধ্যপ্রাচ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই এখন তাদের মূল অগ্রাধিকার।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…