
পার্বত্য অঞ্চলে চাঁদাবাজির জেঁকে বসা অর্থনীতি, বছরে আদায় সাড়ে এক হাজার কোটি
মেঘ-পাহাড়ের মনোরম সৌন্দর্যের আড়ালে পার্বত্য চট্টগ্রামে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে চাঁদাবাজি। ছোট ব্যবসা থেকে শুরু করে নির্মাণকাজ, পরিবহন ও পর্যটন—আয়ের প্রায় সব খাতেই দিতে হচ্ছে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা। স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, এমনকি বাড়ির আঙিনায় পালিত মুরগি বিক্রি করলেও তাদের এই চাঁদা দিতে হয়।
গোয়েন্দা ও প্রশাসনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তিন পার্বত্য জেলায় জেএসএস (মূল), জেএসএস (সংস্কার), ইউপিডিএফ (মূল), ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক), এমএনপি ও কেএনএফসহ কয়েকটি সশস্ত্র সংগঠন বছরে মোট ১ হাজার ৫৫ কোটি টাকা চাঁদা আদায় করছে। এর মধ্যে শুধু রাঙ্গামাটি জেলা থেকেই পাঁচটি সংগঠন তুলে নিচ্ছে ৭৩৪ কোটি টাকা। জেএসএস (মূল) ও ইউপিডিএফ (মূল) বছরে যথাক্রমে ২৯৭ কোটি ও ২১২ কোটি টাকা লুটচুরি করছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
পাহাড়ের এই অবৈধ চাঁদার অর্থনীতি শুধু সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে না, এটি বরং সেখানকার সম্ভাবনাময় পর্যটন, বিনিয়োগ ও সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পথও রুদ্ধ করে দিচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন মনে করে, এই বিষয়টি নিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন হবে।
সম্পর্কিত খবর
মগবাজারে লরির ধাক্কায় আহত কয়েকজন, দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক
পরিচ্ছন্ন চট্টগ্রামের স্বপ্নে মেয়র শাহাদাত, বার্তা ঘর থেকে শুরু করুন
ফারুকীর তোপ: জুলাইয়ের ইতিহাস এরাই এগিয়ে নেবে, রিয়্যালিটি বুঝুন
চট্টগ্রাম বিএনপিকে গতিশীল করতে তারেক রহমানের নির্দেশ
ঢাকার সবুজের সংকট, সমাধানে ছাদ বাগানের ওপর গুরুত্ব
দেশে অস্থিরতা বরদাস্ত করা হবে না: চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আরও পড়ুন

পার্বত্য অঞ্চলে চাঁদাবাজির জেঁকে বসা অর্থনীতি, বছরে আদায় সাড়ে এক হাজার কোটি
মেঘ-পাহাড়ের মনোরম সৌন্দর্যের আড়ালে পার্বত্য চট্টগ্রামে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে চাঁদাবাজি। ছোট ব্যবসা থেকে শুরু করে নির্মাণকাজ, পরিবহন ও পর্যটন—আয়ের প্রায় সব খাতেই দিতে হচ্ছে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা। স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, এমনকি বাড়ির আঙিনায় পালিত মুরগি বিক্রি করলেও তাদের এই চাঁদা দিতে হয়।
গোয়েন্দা ও প্রশাসনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তিন পার্বত্য জেলায় জেএসএস (মূল), জেএসএস (সংস্কার), ইউপিডিএফ (মূল), ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক), এমএনপি ও কেএনএফসহ কয়েকটি সশস্ত্র সংগঠন বছরে মোট ১ হাজার ৫৫ কোটি টাকা চাঁদা আদায় করছে। এর মধ্যে শুধু রাঙ্গামাটি জেলা থেকেই পাঁচটি সংগঠন তুলে নিচ্ছে ৭৩৪ কোটি টাকা। জেএসএস (মূল) ও ইউপিডিএফ (মূল) বছরে যথাক্রমে ২৯৭ কোটি ও ২১২ কোটি টাকা লুটচুরি করছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
পাহাড়ের এই অবৈধ চাঁদার অর্থনীতি শুধু সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে না, এটি বরং সেখানকার সম্ভাবনাময় পর্যটন, বিনিয়োগ ও সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পথও রুদ্ধ করে দিচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন মনে করে, এই বিষয়টি নিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন হবে।
সম্পর্কিত খবর
মগবাজারে লরির ধাক্কায় আহত কয়েকজন, দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক
পরিচ্ছন্ন চট্টগ্রামের স্বপ্নে মেয়র শাহাদাত, বার্তা ঘর থেকে…
ফারুকীর তোপ: জুলাইয়ের ইতিহাস এরাই এগিয়ে নেবে, রিয়্যালিটি…
চট্টগ্রাম বিএনপিকে গতিশীল করতে তারেক রহমানের নির্দেশ
ঢাকার সবুজের সংকট, সমাধানে ছাদ বাগানের ওপর গুরুত্ব
দেশে অস্থিরতা বরদাস্ত করা হবে না: চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী…