তুরাগ নদীতে দুই জনের মৃত্যু: রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক নেই বলল পুলিশ
ঢাকা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, আশুলিয়া এবং তুরাগ নদী থেকে উদ্ধার হওয়া দুই ব্যক্তির মরদেহের ঘটনায় কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। রোববার (২৮ জুন) ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় সাতজনের মরদেহ উদ্ধারের যে গুজব ছড়ানো হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ ধরনের গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
পুলিশ সুপার জানান, গত ২২ জুন দুপুরে ২০-২২ জন বন্ধুদের সাথে তুরাগ নদীতে নৌভ্রমণে বের হন সুমন নামে এক কিশোর। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আশুলিয়ার গরুর হাট ঘাট এলাকায় নৌকা থেকে নামার সময় অসাবধানতাবশত নদীতে পড়ে যান তিনি। সাঁতার না জানার কারণে স্রোতের সাথে তলিয়ে যান সুমন। পরে দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর ২৬ জুন রাত ১২টা ১০ মিনিটে আশুলিয়া থানা পুলিশ স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাইয়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে আশুলিয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এছাড়া গত ২৪ জুন সাভারের রয়েল সিটি খেয়াঘাট এলাকায় তুরাগ নদীতে গোসল করতে নেমে রনি (৩৫) নামের এক ব্যক্তি নিখোঁজ হন। স্থানীয়রা প্রায় ৩০ মিনিট পর পানির নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে শাহআলী থানা পুলিশ ও আমিনবাজার নৌ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। এ ঘটনায়ও একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

