তৃতীয় অধিবেশনে ৬ বিল পাস, ২৮২০ প্রশ্নের মধ্যে উত্তর মেলে ১৬৯৩টির
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সমাপ্ত হয়েছে। গত ২৭ আগস্ট শুরু হওয়া এই অধিবেশনে মোট নয়টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং ছয়টি বিল পাস হয়। তবে সংসদ সদস্যদের পাঠানো প্রশ্নের তুলনায় উত্তরের সংখ্যা অনেক কম থাকাটাই ছিল এ অধিবেশনের উল্লেখযোগ্য দিক। অধিবেশন শেষে সংসদের কার্যক্রম নিয়ে বক্তব্য রাখেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
স্পিকার জানান, প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে সদস্যরা ১৪৪টি প্রশ্নের নোটিশ দিলেও উত্তর পাওয়া যায় মাত্র ১৫টির। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের কাছে পাঠানো দুই হাজার ৬৭৬টি প্রশ্নের মধ্যে উত্তর আসে এক হাজার ৬৭৮টির। সব মিলিয়ে দুই হাজার ৮২০টি প্রশ্নের বিপরীতে মোট এক হাজার ৬৯৩টির উত্তর দেওয়া হয়েছে।
আইন প্রণয়নের পাশাপাশি এ অধিবেশনে ছয়টি বিল উত্থাপিত হয় এবং সবগুলোই পাস হয়েছে। এ ছাড়া ৩৫টি সংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে, একই সঙ্গে একটি বিশেষ কমিটিও নতুন করে সাজানো হয়েছে। সংসদীয় বিধি অনুযায়ী সদস্যদের বিভিন্ন নোটিশও নিষ্পত্তি করা হয়েছে অধিবেশনে। ৬৮ বিধিতে আসা সাতটি নোটিশের মধ্যে দুটির ওপর আলোচনা হয়। ৭১ বিধিতে গৃহীত ১৫টি নোটিশের মধ্যে ১৪টি নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই মিনিটের বক্তব্যের জন্য ৭১(ক) বিধিতে ১২৪টি নোটিশ আসে। এর বাইরে ১৪৭ বিধিতে প্রাপ্ত দুটি নোটিশের একটির ওপর আলোচনা হয়েছে এবং ৩০২ বিধিতে একটি নোটিশ উত্থাপিত হয়।
অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে সংসদে মতপার্থক্যকে গণতান্ত্রিক সংসদীয় প্রথার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ রেখে সব সদস্যের সংসদীয় কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

