২০২৩ সালে হাজিদের বিমান ভাড়ার অতিরিক্ত ৬৭ হাজার টাকার তদন্ত চান ধর্মমন্ত্রী

প্রাইম বার্তা অনলাইন
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১:০৪ পিএম
২০২৩ সালে হাজিদের বিমান ভাড়ার অতিরিক্ত ৬৭ হাজার টাকার তদন্ত চান ধর্মমন্ত্রী

২০২৩ সালের হজে বিমান ভাড়ার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ তুলে তার তদন্ত ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ৩০০ ধারায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ওই বছর হাজিদের কাছ থেকে বিমান ভাড়া নেওয়া হয়েছিল ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ টাকা, যেখানে ২০২৭ সালে সেই ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। অর্থাৎ অতীতে হাজিদের থেকে প্রায় ৬৭ হাজার টাকা বেশি নেওয়া হয়েছিল।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, সেই বাড়তি অর্থ ঠিক কোথায় গিয়েছে, তা জানার জন্য তদন্ত হওয়া উচিত। তাঁর ভাষায়, ইতিহাসে ভাড়া কখনো কমার নজির নেই, কেবল বাড়ে; কিন্তু বর্তমান সরকার প্রমাণ করে দিয়েছে, আল্লাহর মেহমানদের জন্য ভাড়া কমানোও সম্ভব। এজন্য এই অতিরিক্ত আদায়ের বিষয়টি বিচার হওয়া দরকার বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সংসদে তিনি আগামী ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজের বিস্তারিত তুলে ধরেন। বলেন, ২০২৭ সালে দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। হজ প্যাকেজ-১ এর ক্ষেত্রে ২০২৬ সালে মূল ব্যয় ছিল ৬ লাখ ৯০ হাজার ৫৯৭ টাকা, যাতে খাবার অন্তর্ভুক্ত ছিল না; ২০২৭ সালে তা নামিয়ে আনা হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকায়। এতে ৭৫ হাজার ৩৩৪ টাকা কমেছে, পাশাপাশি ৪৯ হাজার ১৩৬ টাকার খাবারও প্যাকেজের ভেতরে যুক্ত করা হয়েছে। হজ প্যাকেজ-২ এর ক্ষেত্রে ২০২৬ সালে মূল ব্যয় ছিল ৫ লাখ ৫৮ হাজার টাকা (খাবার ছাড়া), আর ২০২৭ সালে তা ৫ লাখ ৫ হাজার টাকায় নেমেছে। এক্ষেত্রেও ৫৩ হাজার টাকা কমার সঙ্গে ২৯ হাজার টাকার খাবার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

ধর্মমন্ত্রী দাবি করেন, গত বারের তুলনায় অনেক কম মূল্যে এবারের প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে এবং পৃথিবীর কোথাও এত কম মূল্যে হজ প্যাকেজ ঘোষণার উদাহরণ নেই। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বলিষ্ঠ ও জনবান্ধব নেতৃত্বে আল্লাহর মেহমানদের সেবায় সরকার মানবিকতা, সততা, দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতার এই মহৎ ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবে।

শেয়ার করুন
Generating Photo Card...
Please wait...