গ্যাস সংকট মোকাবিলায় চীন থেকে এফএসআরইউ আনতে বাড়তি খরচ মেনে নেবে সরকার
দেশের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে চীন থেকে দ্রুত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) সংগ্রহের প্রয়োজনে কিছুটা বাড়তি ব্যয়ও মেনে নেওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তার ভাষায়, জরুরি ভিত্তিতে টার্মিনালটি হাতে পাওয়াই সরকারের কাছে এখন সর্বাগ্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
জাহেদ উর রহমান ব্যাখ্যা করেন, পর্যাপ্ত রিগ্যাসিফিকেশন সক্ষমতা না থাকায় বাংলাদেশ আকাঙ্ক্ষিত পরিমাণ এলএনজি আমদানি করতে পারছে না। আমদানি করা এলএনজি গ্যাসে রূপান্তরের জন্য বর্তমানে দেশের দুটি এফএসআরইউতে রয়েছে, যার প্রতিদিন মোট সক্ষমতা প্রায় ১১০ কোটি ঘনফুট। তিনি বলেন, প্রচুর পরিমাণে এলএনজি আনতে চাইলেও তা গ্যাসে রূপান্তরের সক্ষমতা আমাদের নেই। এজন্যই অতিরিক্ত টার্মিনাল আনা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
উপদেষ্টা জানান, জরুরি প্রয়োজনে চীনের কাছে একটি এফএসআরইউর অর্ডার দেওয়া হয়েছে, যা প্রায় দেড় বছরের মধ্যে সংগ্রহ করা যাবে। তবে শুধু টার্মিনাল আনলেই সমস্যার সমাধান হবে না; সেখান থেকে গ্যাস বিতরণের জন্য সঞ্চালন পাইপলাইনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও নির্মাণ করতে হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া অনুসরণ করার চেয়ে জরুরিভাবে টার্মিনালটি পেয়ে যাওয়াই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এই টার্মিনাল চালু হলে রিগ্যাসিফিকেশন সক্ষমতা বেড়ে এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রও প্রসারিত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

