স্ত্রীকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে, পাসপোর্ট অফিস কর্মচারীর শাস্তি
বরিশাল বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের এক কর্মচারীকে প্রথম স্ত্রীকে অবহিত না করে দ্বিতীয় বিয়ে করার দায়ে বিভাগীয় শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ অনুযায়ী পূর্বানুমতি না নেওয়ায় উচ্চমান সহকারী মো. শরিফুল ইসলামের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। গত রোববার (২৩ আগস্ট) ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. নূরুল আনোয়ার স্বাক্ষরিত আদেশে এই শাস্তি প্রদান করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০১২ সালের ৬ এপ্রিল শরিফুল ইসলাম রেশমা খাতুনকে বিয়ে করেন এবং তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। এরপর ২০২০ সালের ২৯ মে তিনি সিমি আক্তার নামে অপর এক নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। তবে দ্বিতীয় বিয়ের আগে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান বা সালিশি পরিষদের কাছ থেকে আইনানুগ অনুমতি গ্রহণ করেননি এবং বিষয়টি তার প্রথম স্ত্রীর অজানা ছিল।
প্রথম স্ত্রীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আনীত তদন্তে অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী এই শাস্তি দেওয়া হলো। গত ১৯ জুলাই তাকে অভিযোগনামা প্রদান করা হলে তিনি জবাব দেন এবং ব্যক্তিগত শুনানির আবেদন করেন। গত ১১ আগস্ট শুনানি শেষে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

