
জুলাই গণঅভ্যুত্থান: নাজমুল হাসানের চোখে নীলক্ষেতের রণাঙ্গন
চলতি বছরের গণঅভ্যুত্থানে নীলক্ষেত ও ঢাকা কলেজ কেন্দ্রিক আন্দোলন সফলভাবে সংগঠিত করার পেছনের মূল কৌশল ও চ্যালেঞ্জের কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার তারা কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যানার ব্যবহার না করে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ প্ল্যাটফর্মে আন্দোলন এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
নাজমুল হাসান বলেন, গত ৫ জুন হাইকোর্টের রায়ের পর তারা প্রথম প্রতিবাদ জানান এবং পরবর্তীতে ৯ জুন নীলক্ষেত ও সায়েন্সল্যাব এলাকায় কর্মসূচি পালন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, শুরু থেকেই রাজনৈতিক ব্যানার ব্যবহার করলে সরকারের দমন-পীড়ন বাড়ার আশঙ্কা ছিল, তাই কৌশলগত কারণে তারা সরাসরি কোনো দলের পরিচয় ব্যবহার করেননি। তিনি বিশ্বাস করতেন, ঢাকা কলেজ ও সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নামলে আন্দোলনে নতুন গতি আসবে।
এই ছাত্রনেতা জানান, ঢাকা কলেজ এলাকায় তৎকালীন ছাত্রলীগের শক্ত নিয়ন্ত্রণ থাকায় সেখানে আন্দোলন সংগঠিত করা ছিল ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য বিশাল ঝুঁকি। তবে ধারাবাহিক নির্যাতন ও হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করে ঢাকা কলেজের গণআন্দোলনের ঐতিহ্যবাহী ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই তিনি এই দায়িত্ব পালন করেছেন।
সম্পর্কিত খবর
কারাগারে বন্দি মৃত্যু: চিকিৎসার অবহেলা নেই দাবি আইজি প্রিজনের
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে তিন দফা দাবি নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের
গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার কমিশনকে কার্যকর করতে দলীয়করণ বন্ধের দাবি
কে এই কিশোরী? সাতদিনেও মেলেনি পরিচয়, রহস্য বাড়ছে ঢামেকে
সোনা লুকানোর অদ্ভুত কৌশল: রামবুতান থেকে শুরু করে কুলিং ফ্যান
কাতার সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল

আরও পড়ুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: নাজমুল হাসানের চোখে নীলক্ষেতের রণাঙ্গন
চলতি বছরের গণঅভ্যুত্থানে নীলক্ষেত ও ঢাকা কলেজ কেন্দ্রিক আন্দোলন সফলভাবে সংগঠিত করার পেছনের মূল কৌশল ও চ্যালেঞ্জের কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার তারা কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যানার ব্যবহার না করে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ প্ল্যাটফর্মে আন্দোলন এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
নাজমুল হাসান বলেন, গত ৫ জুন হাইকোর্টের রায়ের পর তারা প্রথম প্রতিবাদ জানান এবং পরবর্তীতে ৯ জুন নীলক্ষেত ও সায়েন্সল্যাব এলাকায় কর্মসূচি পালন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, শুরু থেকেই রাজনৈতিক ব্যানার ব্যবহার করলে সরকারের দমন-পীড়ন বাড়ার আশঙ্কা ছিল, তাই কৌশলগত কারণে তারা সরাসরি কোনো দলের পরিচয় ব্যবহার করেননি। তিনি বিশ্বাস করতেন, ঢাকা কলেজ ও সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নামলে আন্দোলনে নতুন গতি আসবে।
এই ছাত্রনেতা জানান, ঢাকা কলেজ এলাকায় তৎকালীন ছাত্রলীগের শক্ত নিয়ন্ত্রণ থাকায় সেখানে আন্দোলন সংগঠিত করা ছিল ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য বিশাল ঝুঁকি। তবে ধারাবাহিক নির্যাতন ও হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করে ঢাকা কলেজের গণআন্দোলনের ঐতিহ্যবাহী ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই তিনি এই দায়িত্ব পালন করেছেন।
সম্পর্কিত খবর
কারাগারে বন্দি মৃত্যু: চিকিৎসার অবহেলা নেই দাবি আইজি…
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে তিন দফা দাবি নিরাপদ সড়ক…
গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার কমিশনকে কার্যকর করতে দলীয়করণ…
কে এই কিশোরী? সাতদিনেও মেলেনি পরিচয়, রহস্য বাড়ছে…
সোনা লুকানোর অদ্ভুত কৌশল: রামবুতান থেকে শুরু করে…
কাতার সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল