
কে এই কিশোরী? সাতদিনেও মেলেনি পরিচয়, রহস্য বাড়ছে ঢামেকে
গত সাত দিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পড়ে আছে এক অজ্ঞাতপরিচয় কিশোরীর মরদেহ। মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হলেও আজ পর্যন্ত তার কোনো পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি মর্গেই রাখা হয়েছে।
গত ১২ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে দুই ব্যক্তি অটোরিকশায় করে কিশোরীকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসেন। তারা টিকিট কাটার অজুহাত দেখিয়ে সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যান। হাসপাতালের ট্রলিম্যান আব্দুর রউফের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ওই দুই ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৩৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ছিল। চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়।
শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজা আক্তার জানান, মৃত কিশোরীর গলায় ফাঁস দেওয়ার মতো দাগ এবং দুই হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধ করা হতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে আসলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। মরদেহ দেখতে একজন এসেছিলেন কিন্তু তিনি ওই কিশোরীকে চিনতেন না বলে জানিয়েছেন। মরদেহের পরিচয় উদ্ধার ও ওই দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে তিন দফা দাবি নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের
গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার কমিশনকে কার্যকর করতে দলীয়করণ বন্ধের দাবি
জুলাই গণঅভ্যুত্থান: নাজমুল হাসানের চোখে নীলক্ষেতের রণাঙ্গন
সোনা লুকানোর অদ্ভুত কৌশল: রামবুতান থেকে শুরু করে কুলিং ফ্যান
কাতার সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল
সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় কোস্ট গার্ড ও নৌপরিবহনের চুক্তি

আরও পড়ুন

কে এই কিশোরী? সাতদিনেও মেলেনি পরিচয়, রহস্য বাড়ছে ঢামেকে
গত সাত দিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পড়ে আছে এক অজ্ঞাতপরিচয় কিশোরীর মরদেহ। মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হলেও আজ পর্যন্ত তার কোনো পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি মর্গেই রাখা হয়েছে।
গত ১২ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে দুই ব্যক্তি অটোরিকশায় করে কিশোরীকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসেন। তারা টিকিট কাটার অজুহাত দেখিয়ে সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যান। হাসপাতালের ট্রলিম্যান আব্দুর রউফের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ওই দুই ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৩৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ছিল। চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়।
শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজা আক্তার জানান, মৃত কিশোরীর গলায় ফাঁস দেওয়ার মতো দাগ এবং দুই হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধ করা হতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে আসলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। মরদেহ দেখতে একজন এসেছিলেন কিন্তু তিনি ওই কিশোরীকে চিনতেন না বলে জানিয়েছেন। মরদেহের পরিচয় উদ্ধার ও ওই দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে তিন দফা দাবি নিরাপদ সড়ক…
গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার কমিশনকে কার্যকর করতে দলীয়করণ…
জুলাই গণঅভ্যুত্থান: নাজমুল হাসানের চোখে নীলক্ষেতের রণাঙ্গন
সোনা লুকানোর অদ্ভুত কৌশল: রামবুতান থেকে শুরু করে…
কাতার সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল
সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় কোস্ট গার্ড ও…