
কাশিমপুর কারাগারে বন্দিদের হাতে তৈরি সাবান ‘প্রিজন ফ্রেশ’
বন্দিদের সংশোধন ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে একটি আধুনিক সাবান কারখানা। চলতি মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কারখানার উৎপাদন শুরু হয়েছে, যেখানে কারাবন্দিরাই কাজ করে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ খুঁজছেন। ‘প্রিজন ফ্রেশ’ নামের ব্র্যান্ডে তিন ধরনের সাবান তৈরি হচ্ছে এখানে।
কারাগারের অভ্যন্তরে স্থাপিত এই কারখানায় রয়েছে অত্যন্ত আধুনিক স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি। কাঁচামাল ও রাসায়নিক উপাদান মিশ্রণের পর থ্রি-রোলার মেশিনে প্রক্রিয়াজাত করে প্লোডার মেশিনের মাধ্যমে সাবানের আকৃতি তৈরি করা হয়। এরপর সাবানে লোগো বসিয়ে প্যাকেজিং করা হয়। প্রতি ঘণ্টায় এখানে প্রায় ১৫শ পিস সাবান উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। উৎপাদনের সব ধাপেই নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করছেন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বন্দিরা।
এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো বন্দিদের শুধু শাস্তিই নয়, বরং তাদের আধুনিক শিল্পে কাজের অভিজ্ঞতা দান করা। এর ফলে তারা কারাভোগের সময় পারিশ্রমিক পাচ্ছেন এবং মুক্তির পর ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন। বর্তমানে কারাগারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাণিজ্যিকভাবেও এসব সাবান বাজারজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে কারা কর্তৃপক্ষের।
সম্পর্কিত খবর
চট্টগ্রামে সাড়ে ৩ কোটির সোনা উদ্ধার, অন্তর্বাসে লুকিয়ে আনতে গিয়ে…
হাটহাজারী ও ফটিকছড়িতে বন্যার্তদের পাশে সেনাবাহিনী
জুয়ার অর্থ বিদেশে পাচার: নগদ এজেন্ট ও সাইট অ্যাডমিন গ্রেফতার
বন্যা দুর্গতদের সহায়তায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা ও প্রায় ৯…
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রোটোকল অফিসার সাজেন হরিদাস, ৯.৩৫ কোটি টাকার লেনদেন
STEM-ভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষা গড়ে তুলতে প্লে-ল্যাব ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষায় জোর…

কাশিমপুর কারাগারে বন্দিদের হাতে তৈরি সাবান ‘প্রিজন ফ্রেশ’
বন্দিদের সংশোধন ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে একটি আধুনিক সাবান কারখানা। চলতি মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কারখানার উৎপাদন শুরু হয়েছে, যেখানে কারাবন্দিরাই কাজ করে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ খুঁজছেন। ‘প্রিজন ফ্রেশ’ নামের ব্র্যান্ডে তিন ধরনের সাবান তৈরি হচ্ছে এখানে।
কারাগারের অভ্যন্তরে স্থাপিত এই কারখানায় রয়েছে অত্যন্ত আধুনিক স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি। কাঁচামাল ও রাসায়নিক উপাদান মিশ্রণের পর থ্রি-রোলার মেশিনে প্রক্রিয়াজাত করে প্লোডার মেশিনের মাধ্যমে সাবানের আকৃতি তৈরি করা হয়। এরপর সাবানে লোগো বসিয়ে প্যাকেজিং করা হয়। প্রতি ঘণ্টায় এখানে প্রায় ১৫শ পিস সাবান উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। উৎপাদনের সব ধাপেই নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করছেন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বন্দিরা।
এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো বন্দিদের শুধু শাস্তিই নয়, বরং তাদের আধুনিক শিল্পে কাজের অভিজ্ঞতা দান করা। এর ফলে তারা কারাভোগের সময় পারিশ্রমিক পাচ্ছেন এবং মুক্তির পর ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন। বর্তমানে কারাগারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাণিজ্যিকভাবেও এসব সাবান বাজারজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে কারা কর্তৃপক্ষের।
সম্পর্কিত খবর
চট্টগ্রামে সাড়ে ৩ কোটির সোনা উদ্ধার, অন্তর্বাসে লুকিয়ে…
হাটহাজারী ও ফটিকছড়িতে বন্যার্তদের পাশে সেনাবাহিনী
জুয়ার অর্থ বিদেশে পাচার: নগদ এজেন্ট ও সাইট…
বন্যা দুর্গতদের সহায়তায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা ও…
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রোটোকল অফিসার সাজেন হরিদাস, ৯.৩৫ কোটি…
STEM-ভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষা গড়ে তুলতে প্লে-ল্যাব ও বিজ্ঞানভিত্তিক…
