
আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের জাদুকর লো সেলসো যেভাবে জয়ের রূপকথা লিখলেন
চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার জয়ের ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন মিডফিল্ডার জিওভানি লো সেলসো। গ্রুপ পর্বের এক ম্যাচে ১৯ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে গোল করে দলকে লিড এনে দেন তিনি। লিওনেল মেসি ছাড়া এটিই ছিল আর্জেন্টিনার প্রথম গোল। গত আসরে শেষ মুহূর্তে চোটের কারণে বাদ পড়ার কষ্ট মুছে ফেলতে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। গোল করার পাশাপাশি মাঝমাঠে দারুণ নিয়ন্ত্রণ দেখিয়ে তিনটি ম্যাচে জয় নিশ্চিত করতে ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
১৯৯৬ সালের ৯ এপ্রিল রোসারিওতে জন্ম নেওয়া লো সেলসোর ফুটবল জীবন ছিল নানা উত্থান-পতনের। রোসারিও সেন্ট্রালের হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলেও পরে ইউরোপে পা রাখেন পিএসজিতে। সুযোগের অভাবে স্পেনের রিয়াল বেতিসে স্থানান্তরিত হন এবং সেখানেই তার ফুটবল প্রতিভা বিকশিত হয়। টটেনহ্যামে চোটের দুর্যোগ কাটিয়ে তিনি আবার নিজের ছন্দে ফিরেছেন। গোলদাতা না হলেও গোলের রচনায় তার জুড়ি মেলা ভার।
বল নিয়ন্ত্রণ আর পাসিং রেঞ্জের কারণে কোচরা তাকে দলের অপরিহার্য বলে মনে করেন। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাঙা তার বিশেষত্ব। সবাই গোলদাতা হতে চাইলেও তিনি হয়ে থাকেন সতীর্থদের সফলতার পথ তৈরির কারিগর। ধৈর্য আর কঠোর পরিশ্রমের ফলে রোসারিওর রাস্তা থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চ পর্যন্ত লড়াকু এই যাত্রা তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
সম্পর্কিত খবর
ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ের সামনে ১৪০ রানে অলআউট
রোনালদোর ব্যর্থতায় গোলশূন্য ড্র, হ্যামেসের জাদুতে শীর্ষে কলম্বিয়া
জিম্বাবুয়ের সামনে ১৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে বাংলাদেশ
চোট কাটিয়ে লো সেলসোর দমদমে প্রত্যাবর্তন, আর্জেন্টিনার গোলের পথচলা
দীর্ঘ দশ বছর পর জর্জিনাকে বিয়ে করছেন রোনালদো, আয়োজন সেপ্টেম্বরে
নাটকীয় শেষ মুহূর্তে ইরানের স্বপ্নভঙ্গ, বিশ্বকাপ থেকে বিদায়

আরও পড়ুন

আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের জাদুকর লো সেলসো যেভাবে জয়ের রূপকথা লিখলেন
চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার জয়ের ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন মিডফিল্ডার জিওভানি লো সেলসো। গ্রুপ পর্বের এক ম্যাচে ১৯ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে গোল করে দলকে লিড এনে দেন তিনি। লিওনেল মেসি ছাড়া এটিই ছিল আর্জেন্টিনার প্রথম গোল। গত আসরে শেষ মুহূর্তে চোটের কারণে বাদ পড়ার কষ্ট মুছে ফেলতে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। গোল করার পাশাপাশি মাঝমাঠে দারুণ নিয়ন্ত্রণ দেখিয়ে তিনটি ম্যাচে জয় নিশ্চিত করতে ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
১৯৯৬ সালের ৯ এপ্রিল রোসারিওতে জন্ম নেওয়া লো সেলসোর ফুটবল জীবন ছিল নানা উত্থান-পতনের। রোসারিও সেন্ট্রালের হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলেও পরে ইউরোপে পা রাখেন পিএসজিতে। সুযোগের অভাবে স্পেনের রিয়াল বেতিসে স্থানান্তরিত হন এবং সেখানেই তার ফুটবল প্রতিভা বিকশিত হয়। টটেনহ্যামে চোটের দুর্যোগ কাটিয়ে তিনি আবার নিজের ছন্দে ফিরেছেন। গোলদাতা না হলেও গোলের রচনায় তার জুড়ি মেলা ভার।
বল নিয়ন্ত্রণ আর পাসিং রেঞ্জের কারণে কোচরা তাকে দলের অপরিহার্য বলে মনে করেন। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাঙা তার বিশেষত্ব। সবাই গোলদাতা হতে চাইলেও তিনি হয়ে থাকেন সতীর্থদের সফলতার পথ তৈরির কারিগর। ধৈর্য আর কঠোর পরিশ্রমের ফলে রোসারিওর রাস্তা থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চ পর্যন্ত লড়াকু এই যাত্রা তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
সম্পর্কিত খবর
ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ের সামনে ১৪০ রানে অলআউট
রোনালদোর ব্যর্থতায় গোলশূন্য ড্র, হ্যামেসের জাদুতে শীর্ষে কলম্বিয়া
জিম্বাবুয়ের সামনে ১৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে…
চোট কাটিয়ে লো সেলসোর দমদমে প্রত্যাবর্তন, আর্জেন্টিনার গোলের…
দীর্ঘ দশ বছর পর জর্জিনাকে বিয়ে করছেন রোনালদো,…
নাটকীয় শেষ মুহূর্তে ইরানের স্বপ্নভঙ্গ, বিশ্বকাপ থেকে বিদায়