স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা, নজরদারিতে ড্রোন: ইসি
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করবে নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে বডি ওর্ন ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানো এবং ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম। ভোটকেন্দ্রের অবকাঠামোগত ত্রুটি দূর করার কাজও চলছে বলে জানান তিনি।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ইসি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রাখার বিষয়টিও কমিশনের পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত। তিনি আরও জানান, সব ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন একসঙ্গে আয়োজন করা কঠিন, তাই ধাপে ধাপে ভোট হবে এবং ব্যয় সংকোচনের নীতিটি বিবেচনায় রাখা হবে।
উপ-নির্বাচনে আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিংয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন কমিশনার। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধি ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত হয়েছে এবং চলতি মাসের মধ্যেই ইউপি ভোটের তফসিল দেওয়া হবে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বর শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়। ভোটকেন্দ্র হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর ভোটগ্রহণের দায়িত্বে থাকবেন শিক্ষকরা, তাই পরীক্ষার সময় এড়িয়ে এর আগে বা পরে নির্বাচনের তারিখ ঠিক করা হবে। ভোটার স্থানান্তর নিয়ে প্রশ্ন উঠলে ইসি বলেন, এটি একটি স্বাভাবিক রুটিন কাজ, কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে করা হয় না। স্বচ্ছতার জন্য এ কাজে নির্দিষ্ট সময়সীমাও দেওয়া হয়েছে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনী দায়িত্বে অংশ নেওয়ার দাবি জামায়াত জানালেও তাতে সমর্থন করেননি নির্বাচন কমিশন। ইসি আনোয়ারুলের পর্যবেক্ষণ, শিক্ষকদের এমন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার অন্তরায় এবং এতে শিক্ষকদের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হবে। পাশাপাশি পোস্টাল ব্যালট ভোটিং ব্যবস্থাকে আরও জনবান্ধব করতে কাজ করবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

