
সরকারি টাকার অপচয় বন্ধে প্রকল্প অনুমোদনে চার শর্ত
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, জনগণের টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতিটি সরকারি প্রকল্পের ক্ষেত্রে চারটি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করা বাধ্যতামূলক। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এই শর্তগুলো পূরণ না হলে কোনো প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হবে না এবং সরকারি অর্থের অপচয় কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, কোনো প্রকল্পে অর্থের সঠিক মূল্য, বিনিয়োগের রিটার্ন, কর্মসংস্থান এবং পরিবেশের ভারসাম্য—এই চারটি বিষয় তিনি যাচাই করেন। এই মানদণ্ডে ঘাটতি থাকলে প্রস্তাবটি ফেরত পাঠানো হবে, কারণ এটি দেশের সাধারণ করদাতাদের আর্থিক অবদান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি ইনকিউবেটর নিয়ে তিনি বলেন, এটি যাতে দীর্ঘমেয়াদী সুফল বয়ে আনে, তা নিশ্চিত করতে হবে। তার অভিজ্ঞতা থেকে জানান, বহুআঙ্গিক নিয়ন্ত্রণে কোনো প্রতিষ্ঠান চললে তাতে জটিলতা বাড়ে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের এই ইনকিউবেটরটি চুয়েট কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালনাই সমীচীন হবে।
সম্পর্কিত খবর
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা: কওমি মাদরাসার জন্য ছয় শিক্ষাবোর্ড
ছাদে সোলার বসালেই ৪৫ শতাংশ মুনাফা, ইউনিটপ্রতি মিলবে ১০ টাকা…
জ্বালানি স্বনির্ভরতায় গ্যাস অনুসন্ধান ও নবায়নযোগ্য শক্তির বড় পরিকল্পনা
জলবায়ু সংকটে আজকের পদক্ষেপই আগামীর নিরাপত্তা: পরিবেশমন্ত্রী
চাচাকে পঙ্গু করার এক বছরে প্রবাসী ভাতিজা হত্যা, জামিনে এসে…
স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব

আরও পড়ুন

সরকারি টাকার অপচয় বন্ধে প্রকল্প অনুমোদনে চার শর্ত
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, জনগণের টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতিটি সরকারি প্রকল্পের ক্ষেত্রে চারটি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করা বাধ্যতামূলক। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এই শর্তগুলো পূরণ না হলে কোনো প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হবে না এবং সরকারি অর্থের অপচয় কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, কোনো প্রকল্পে অর্থের সঠিক মূল্য, বিনিয়োগের রিটার্ন, কর্মসংস্থান এবং পরিবেশের ভারসাম্য—এই চারটি বিষয় তিনি যাচাই করেন। এই মানদণ্ডে ঘাটতি থাকলে প্রস্তাবটি ফেরত পাঠানো হবে, কারণ এটি দেশের সাধারণ করদাতাদের আর্থিক অবদান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি ইনকিউবেটর নিয়ে তিনি বলেন, এটি যাতে দীর্ঘমেয়াদী সুফল বয়ে আনে, তা নিশ্চিত করতে হবে। তার অভিজ্ঞতা থেকে জানান, বহুআঙ্গিক নিয়ন্ত্রণে কোনো প্রতিষ্ঠান চললে তাতে জটিলতা বাড়ে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের এই ইনকিউবেটরটি চুয়েট কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালনাই সমীচীন হবে।
সম্পর্কিত খবর
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা: কওমি মাদরাসার জন্য ছয় শিক্ষাবোর্ড
ছাদে সোলার বসালেই ৪৫ শতাংশ মুনাফা, ইউনিটপ্রতি মিলবে…
জ্বালানি স্বনির্ভরতায় গ্যাস অনুসন্ধান ও নবায়নযোগ্য শক্তির বড়…
জলবায়ু সংকটে আজকের পদক্ষেপই আগামীর নিরাপত্তা: পরিবেশমন্ত্রী
চাচাকে পঙ্গু করার এক বছরে প্রবাসী ভাতিজা হত্যা,…
স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব