থাইল্যান্ডে নতুন কর্মসংস্থানের পথ সুদৃঢ়
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। দেশটির নির্মাণ, কৃষি এবং হালাল শিল্পে চরম জনবল সংকটের কারণে পঞ্চম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে থাই সরকার। এ লক্ষ্যে আগামী দিনে ঢাকা এবং ব্যাংককের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।
বুধবার রাজধানীতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে থাই প্রতিনিধি দলের এক ঐতিহাসিক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে উভয় পক্ষ স্বচ্ছ ও সাশ্রয়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া, শ্রমিকদের কল্যাণ, ন্যায্য মজুরি এবং মানব পাচার প্রতিরোধ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫৪ বছর পূর্তিতে এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এই সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, থাইল্যান্ডের যে দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন, তা বাংলাদেশে পর্যাপ্ত রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ জানান, প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক সাদৃশ্যের কারণে থাইল্যান্ড বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আদর্শ কর্মস্থল হতে পারে। তিনি সরকারি মাধ্যমে কর্মী প্রেরণে যৌথ পদক্ষেপের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
থাইল্যান্ডের শ্রম সংক্রান্ত সিনেট কমিটির প্রধান নিতরুত্তি সুথিনন জানান, কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনার কারণে তাদের দেশে কর্মী নিয়োগ সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে। এই শূন্যতা পূরণে বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন চুক্তির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি। একই সাথে ভিসা অতিরিক্ত মেয়াদে অবৈধ অবস্থান এবং মানব পাচার রোধে কঠোর নজরদারি বজায় রাখার ওপর জোর দেন থাই প্রতিনিধি।

