
দ্রুত নগরায়নে বাড়ছে আবাসন চাহিদা, লাগবে ১ কোটি ঘর
দ্রুত নগরায়ণের ফলে বাংলাদেশে গত দুই দশকে শহরের জনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। আন্তর্জাতিক অর্থ করপোরেশনের (আইএফসি) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩৭ সালের মধ্যে দেশের অধিকাংশ মানুষ শহরে বসবাস করবেন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে আবাসনের চাহিদা দাঁড়াবে এক কোটি ৫ লাখ ইউনিটে।
সোমবার (২০ জুলাই) হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এইচবিআরআই) আয়োজনে এক অংশীজন পরামর্শ কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন এই প্রতিষ্ঠানটি টেকসই ভবন নির্মাণে জাতীয় লেবেলিং ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে ‘এইচবিআরআই-ডেশ’ প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে কাজ করছে। জাতিসংঘ ও জার্মান সরকারের সহযোগিতায় এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোসাম্মৎ ফেরদৌসী বেগম, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি আসিফুর রহমান ভূঁইয়া এবং এইচবিআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. গিয়াসউদ্দিন হায়দার বক্তব্য দেন। এছাড়া রাজউক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার কর্মকর্তারা টেকসই ভবন উন্নয়নে নীতি ও অর্থায়ন বিষয়ক আলোচনায় অংশ নেন। বৈঠকে ভবিষ্যতে আবাসন সংকট মোকাবিলায় পরিবেশ-বান্ধব ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সম্পর্কিত খবর
তিন বছর এক কর্মস্থলে নয়: ভূমি অফিসের কর্মীদের বদলির প্রস্তুতি
৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে বিচারকদের জন্য নির্মাণ হবে আধুনিক…
লংমার্চে তেল অপচয়ে জ্বালানি সংকট ঘনীভূত হচ্ছে: রাশেদ খাঁন
ধর্মীয় সম্প্রীতিই বাংলাদেশের শক্তি, বিভেদ সৃষ্টির সুযোগ নেই: মুক্তাদির
লংমার্চে এক লাখ লিটার তেল অপচয়, জ্বালানি সংকট বাড়ছে: রাশেদ…
টিউশনি শেষে ফেরার পথে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরি, গুরুতর আহত স্কুলশিক্ষক

আরও পড়ুন

দ্রুত নগরায়নে বাড়ছে আবাসন চাহিদা, লাগবে ১ কোটি ঘর
দ্রুত নগরায়ণের ফলে বাংলাদেশে গত দুই দশকে শহরের জনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। আন্তর্জাতিক অর্থ করপোরেশনের (আইএফসি) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩৭ সালের মধ্যে দেশের অধিকাংশ মানুষ শহরে বসবাস করবেন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে আবাসনের চাহিদা দাঁড়াবে এক কোটি ৫ লাখ ইউনিটে।
সোমবার (২০ জুলাই) হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এইচবিআরআই) আয়োজনে এক অংশীজন পরামর্শ কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন এই প্রতিষ্ঠানটি টেকসই ভবন নির্মাণে জাতীয় লেবেলিং ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে ‘এইচবিআরআই-ডেশ’ প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে কাজ করছে। জাতিসংঘ ও জার্মান সরকারের সহযোগিতায় এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোসাম্মৎ ফেরদৌসী বেগম, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি আসিফুর রহমান ভূঁইয়া এবং এইচবিআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. গিয়াসউদ্দিন হায়দার বক্তব্য দেন। এছাড়া রাজউক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার কর্মকর্তারা টেকসই ভবন উন্নয়নে নীতি ও অর্থায়ন বিষয়ক আলোচনায় অংশ নেন। বৈঠকে ভবিষ্যতে আবাসন সংকট মোকাবিলায় পরিবেশ-বান্ধব ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সম্পর্কিত খবর
তিন বছর এক কর্মস্থলে নয়: ভূমি অফিসের কর্মীদের…
৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে বিচারকদের জন্য নির্মাণ…
লংমার্চে তেল অপচয়ে জ্বালানি সংকট ঘনীভূত হচ্ছে: রাশেদ…
ধর্মীয় সম্প্রীতিই বাংলাদেশের শক্তি, বিভেদ সৃষ্টির সুযোগ নেই:…
লংমার্চে এক লাখ লিটার তেল অপচয়, জ্বালানি সংকট…
টিউশনি শেষে ফেরার পথে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরি, গুরুতর…