ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তরুণদের উগ্রবাদ থেকে দূরে রাখতে মডেল মসজিদে সচেতনতা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের কিছু অংশের তরুণ প্রজন্মকে ধর্মীয় উগ্রবাদ, গুজব এবং সামাজিক বিভাজন থেকে দূরে রাখতে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে কাজে লাগানো হচ্ছে। সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার লিখিত প্রশ্নের উত্তরে এ তথ্য জানান ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন।
মন্ত্রী জানান, সামাজিক শান্তি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা অক্ষুণ্ন রাখতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যুবসমাজকে উগ্রবাদের অপপ্রচার থেকে সতর্ক করতে স্থানীয় আলেম ও ইমামদের নিয়ে জুমার খুতবা, ধর্মীয় সেমিনার এবং সম্প্রীতি সভায় বক্তব্য রাখা হচ্ছে। এছাড়া হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে পুরোহিত ও সেবাইতদের প্রশিক্ষণ এবং খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে ছাত্র-যুবকদের নৈতিকতা বিষয়ক কর্মশালাও নিয়মিত আয়োজন করা হচ্ছে।
সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর এলাকার সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ও সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে। সরকার স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শক্রমে যুবদের জন্য এসব নৈতিক ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও বেগবান করার পরিকল্পনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায়, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক একটি নতুন বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

