
চট্টগ্রামে বন্যায় ভেসে গেল বাপ-দাদার স্মৃতি ও আজীবনের সঞ্চয়
চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যার পানি নেমে যেতে শুরু করলেও ফিরে পাওয়া যাচ্ছে না বাপ-দাদার স্মৃতিবিজড়িত ঘরবাড়ি ও আজীবনের সঞ্চয়। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট এই বিপর্যয়ে বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ ও হাটহাজারীসহ বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পানি সরে গেলেও অসংখ্য মাটির ঘর ভেঙে পড়েছে, কাদায় তলিয়ে গেছে মানুষের স্বপ্ন ও জীবনসংগ্রামের নীরব সাক্ষীগুলো।
এই দুর্যোগে মানুষের মনে সবচেয়ে বেশি দাগ কেটেছে স্মৃতি হারানোর বেদনা। বাঁশখালীর বাহারচরার আরিফ বিল্লাহ চৌধুরী বলেন, বাবার হাতে তৈরি ঘরটি তাদের কাছে সবচেয়ে বড় সম্পদ ছিল, যা এখন চোখের সামনে ধ্বংস হতে দেখে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তারা। প্রবীণ ছফুরা খাতুনের কষ্টের শেষ নেই, স্বামীর রেখে যাওয়া কাঠের আলমারি, বিয়ের খাট, পুরনো কোরআন ও জমির দলিল হারিয়ে তিনি মনে করছেন জীবনের ইতিহাসটাই লুপ্ত হয়ে গেছে।
বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রশাসন। বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন জানান, আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খোলা রাখা হয়েছে এবং দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ, শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। তবে অনেক পরিবারের জন্য বসতভিটা ও স্মৃতিচিহ্ন হারানোর শূন্যতা পূরণ করা আগামী দিনেও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে।
সম্পর্কিত খবর
চট্টগ্রামে বন্যার্তদের জন্য সেনাবাহিনীর ত্রাণ ও চিকিৎসা সেবা
মৌসুমি বাতাসের প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশজুড়ে বৃষ্টির প্রকোপ অব্যাহত…
মিরপুরে শুরু জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতা, প্রথম দিনেই ৬ রেকর্ড
মগবাজার গ্রিডে আগুনে রাজধানীর বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়
উত্তরায় ১১ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানি, ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ আটক
বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে চাননি বঙ্গবন্ধু, জানালেন স্পিকার হাফিজ

আরও পড়ুন

চট্টগ্রামে বন্যায় ভেসে গেল বাপ-দাদার স্মৃতি ও আজীবনের সঞ্চয়
চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যার পানি নেমে যেতে শুরু করলেও ফিরে পাওয়া যাচ্ছে না বাপ-দাদার স্মৃতিবিজড়িত ঘরবাড়ি ও আজীবনের সঞ্চয়। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট এই বিপর্যয়ে বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ ও হাটহাজারীসহ বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পানি সরে গেলেও অসংখ্য মাটির ঘর ভেঙে পড়েছে, কাদায় তলিয়ে গেছে মানুষের স্বপ্ন ও জীবনসংগ্রামের নীরব সাক্ষীগুলো।
এই দুর্যোগে মানুষের মনে সবচেয়ে বেশি দাগ কেটেছে স্মৃতি হারানোর বেদনা। বাঁশখালীর বাহারচরার আরিফ বিল্লাহ চৌধুরী বলেন, বাবার হাতে তৈরি ঘরটি তাদের কাছে সবচেয়ে বড় সম্পদ ছিল, যা এখন চোখের সামনে ধ্বংস হতে দেখে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তারা। প্রবীণ ছফুরা খাতুনের কষ্টের শেষ নেই, স্বামীর রেখে যাওয়া কাঠের আলমারি, বিয়ের খাট, পুরনো কোরআন ও জমির দলিল হারিয়ে তিনি মনে করছেন জীবনের ইতিহাসটাই লুপ্ত হয়ে গেছে।
বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রশাসন। বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন জানান, আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খোলা রাখা হয়েছে এবং দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ, শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। তবে অনেক পরিবারের জন্য বসতভিটা ও স্মৃতিচিহ্ন হারানোর শূন্যতা পূরণ করা আগামী দিনেও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে।
সম্পর্কিত খবর
চট্টগ্রামে বন্যার্তদের জন্য সেনাবাহিনীর ত্রাণ ও চিকিৎসা সেবা
মৌসুমি বাতাসের প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশজুড়ে বৃষ্টির…
মিরপুরে শুরু জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতা, প্রথম দিনেই ৬…
মগবাজার গ্রিডে আগুনে রাজধানীর বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়
উত্তরায় ১১ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানি, ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ…
বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে চাননি বঙ্গবন্ধু, জানালেন স্পিকার হাফিজ