দেশে ডিজেল মজুদ শেষ হতে ১১ দিন, সংকটের সম্ভাবনা নাকচ করলেন কর্মকর্তারা

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের মজুদ নিয়ে দেশব্যাপী উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন ও অসন্তোষ সত্ত্বেও সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান মজুদ দিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে ১১ দিন চলা সম্ভব এবং নতুন আমদানি আসায় কোনো ঘাটতি নেই।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশে এক লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন ডিজেল মজুদ ছিল। দেশে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলের চাহিদা থাকে, অর্থাৎ বর্তমান স্টক দিয়ে আনুমানিক ১১ দিন চলা যাবে। এছাড়াও সাত হাজার ৯৪০ টন অকটেন এবং ১১ হাজার ৪৩১ টন পেট্রল মজুদ রয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন জানিয়েছে, সম্প্রতি মালয়েশিয়া থেকে ৩০ হাজার টন এবং ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হয়েছে, যা স্টক ধরে রাখতে সহায়তা করবে।
মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, গত বছরের এপ্রিল মাসে যে পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করা হয়েছিল, চলতি বছরেও ঠিক সেই একই পরিমাণ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। তিনি জানান, সরকার ইতিমধ্যে মার্চ থেকে জ্বালানি সাশ্রয়ে বা রেশনিং শুরু করেছে এবং কোনো ধরনের সংকট নেই, তবে পাচার রোধে সীমান্তে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।

