পানির ন্যায্য হিস্যা ও তিস্তা মহাপরিকল্পনায় জোর সরকারের
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, গঙ্গা চুক্তি নবায়ন এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি বাস্তবায়ন সম্পর্কিত জাতীয় সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, আগামী ডিসেম্বরে গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। এ কারণে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় ও চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ সংযোজনে জোর দিচ্ছে সরকার। এর পাশাপাশি, প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যা দেশের সাত কোটি মানুষের জীবনমান পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে।
উত্তরাঞ্চলের তিস্তা অববাহিকার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাব ও বন্যায় নদীভাঙন রোধে বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় সমাধান খোঁজা হচ্ছে। এছাড়া ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া ঠেকাতে চারটি মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে।
পরিবেশ সংরক্ষণের অংশ হিসেবে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের বীজ রোপণ করা হবে বলে জানান তিনি। এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকার সব বাধা পার করে এগিয়ে যাচ্ছে। এই অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

