বিশেষ দেশকে সুবিধা দিতে স্বৈরাচাররা শিক্ষা-স্বাস্থ্য ধ্বংস করেছে: প্রধানমন্ত্রী
পূর্ববর্তী স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, একটি নির্দিষ্ট দেশের স্বার্থ রক্ষায় এবং একটি স্বার্থান্বেষী মহলের খুশিতে তৎকালীন সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে দেশের শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্য খাতের বেহাল দশা নিয়ে আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী তার পারিবারিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তার সহধর্মিণী নিজে একজন চিকিৎসক হওয়ায় স্বাস্থ্য খাতের মাঠ পর্যায়ের বাস্তব চিত্র তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন। তারেক রহমান অভিযোগ করেন, স্বৈরাচারী সরকার বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে পঙ্গু করে একটি বিশেষ দেশে রোগী পাচার ও চিকিৎসা বাণিজ্যের সুযোগ করে দিয়েছিল। এ কারণে দেশের বৃহৎ হাসপাতালগুলো অকার্যকর হয়ে পড়েছিল এবং কোটি কোটি মানুষ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী মিশরের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়াল লিখনের উদ্ধৃতি দেন। তিনি বলেন, কোনো জাতিকে ধ্বংস করতে চাইলে অন্য কোনো অস্ত্রের প্রয়োজন নেই, শুধু তাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করলেই চলে। তিনি মনে করেন, বিদেশি এজেন্ডা ও তাবেদারি করতে গিয়ে বিগত সরকার এদেশে এই ধ্বংসাত্মক নীতি প্রয়োগ করেছিল। তবে এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বর্তমান সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানান তিনি।

