পর্যটন ও সংস্কৃতি: একক নীতিমালার পথে দুই মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে পর্যটন শিল্পের সাথে সমন্বিত করে এ খাতের ব্যাপক প্রসারের লক্ষ্যে একক নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর ফলে দেশের পর্যটন এবং সংস্কৃতি খাতের অপ্রতুল সম্পদ কাজে লাগিয়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর ও যৌথ কমিটি গঠনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
সোমবার সচিবালয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এই উদ্যোগের কথা জানান। তিনি জানান, দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তির মাধ্যমে একটি বাধ্যতামূলক কাঠামো তৈরি করা হবে। এর অধীনে গঠিত যৌথ কমিটি সাংস্কৃতিক পর্যটনের জন্য নির্দিষ্ট একক নীতিমালা তৈরির কাজ শুরু করবে। মন্ত্রী মালয়েশিয়া সফরের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, সেখানে পর্যটন ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে যে ধরনের কাজ হয়, তার ওপর ভিত্তি করেই বাংলাদেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
সভায় সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী দেশের পর্যটন শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ প্রচেষ্টায় গঠিত কমিটির মাধ্যমে এমওইউ স্বাক্ষর করে দ্রুত কাজ শুরু করতে চায় সরকার। বর্তমানে পর্যটন খাতে জিডিপির অবদান মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ, যা দুই মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে ৭ থেকে ৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

