জুয়া মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, সিএমপির দুই এএসআই ক্লোজড

প্রাইম বার্তা অনলাইন
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৫৫ এএম
জুয়া মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, সিএমপির দুই এএসআই ক্লোজড

জুয়া মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে এক ব্যবসায়ী ও তার সঙ্গীর কাছ থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সিসহ প্রায় ১৮ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) দুই সহকারী উপ-পরিদর্শককে (এএসআই) সাময়িকভাবে ক্লোজড করা হয়েছে। ক্লোজড হওয়া দুজনের একজন সিএমপির ল’ফুল ইন্টারসেপ্টেড সেলের (এলআইসি) এএসআই বাছির উদ্দিন, অন্যজন সিএমপি রেশন স্টোরের এএসআই সুফিয়ান। একই ঘটনায় এলআইসির সহকারী কমিশনার (এসি) শরিফুল আলম সুজনকে প্রত্যাহার করে দামপাড়া পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী জানান, এক যুবকের কাছ থেকে অর্থ ও ক্রিপ্টোকারেন্সি আদায়ের অভিযোগে দুই এএসআইকে ক্লোজড করে দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। আর এসিকে পাঠানো হয়েছে দামপাড়া পুলিশ সদর দপ্তরে।

অভিযোগ উঠেছে, গত ৪ সেপ্টেম্বর সকালে এসি শরিফুল আলমের নেতৃত্বে সাদা পোশাকের একটি পুলিশ দল নগরীর হালিশহরের কে ব্লকের একটি বাসা থেকে খাতুঞ্জের পলিপ্রোপিলিন (পিপি দানা) ব্যবসায়ী আখতারুজ্জামান শাকিল (২৭) ও তার বন্ধু মনসুর আলীকে একটি টয়োটা করোলা গাড়িসহ তুলে নিয়ে এলআইসি কার্যালয়ে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের মোবাইল ফোন জব্দ করে তল্লাশি চালানো হয় এবং ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি অন্য একটি ডিভাইসে স্থানান্তর করা হয়। জানা যায়, পটিয়ায় শাকিলের একটি কৃষি খামার রয়েছে, আর তার বন্ধু মনসুরের রয়েছে গাড়ির পার্টসের ব্যবসা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এসি শরিফুল ও এএসআই বাছির শাকিলের ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দুজনকে জুয়া মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এরপর বাধ্য হয়ে শাকিল তার বাইন্যান্স অ্যাকাউন্ট থেকে তিন ধাপে ১০ হাজার ৮৬৪ মার্কিন ডলার (প্রায় ১৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা) নানা মাধ্যমে স্থানান্তর করতে বাধ্য হন। ঘটনার বিচার প্রত্যাশা করে ভুক্তভোগীরা প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন কি না, তা এখন দেখার বিষয়।

শেয়ার করুন
Generating Photo Card...
Please wait...