এসিআরে ভুল-ত্রুটি রোধে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের নির্দেশ
গোপনীয় অনুবেদন বা এসিআর তৈরি, জমা দেওয়া, অনুস্বাক্ষর ও প্রতিস্বাক্ষরে ঘন ঘন ভুল-ত্রুটি ধরা পড়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিতে বলেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত ৩ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয় থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিব, সব মহাপরিচালক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়।
নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত ‘গোপনীয় অনুবেদন অনুশাসনমালা-২০২০’ অসামরিক প্রশাসনে নিয়োজিত নবম গ্রেড ও তার ঊর্ধ্বের সব কর্মকর্তার জন্য প্রযোজ্য। মন্ত্রণালয়ের সিআর অধিশাখা বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারসহ বিভিন্ন ক্যাডারের উপসচিব ও এর ওপরের কর্মকর্তা এবং নবম গ্রেড ও তার ঊর্ধ্বের নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের এসিআর সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করে থাকে।
এসিআর অধিশাখায় সংরক্ষিত গোপনীয় অনুবেদন বিশ্লেষণে প্রস্তুত, দাখিল, অনুস্বাক্ষর ও প্রতিস্বাক্ষরের ক্ষেত্রে নানা ধরনের ভুল ও অসামঞ্জস্যতা চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে অনুবেদন পূরণের সময় তথ্যের ভুল উপস্থাপন, অনুবেদনকারী বা প্রতিস্বাক্ষরকারী কর্মকর্তার বিলম্বে দাখিল এবং যথাযথ প্রক্রিয়া না মেনে বিরূপ মন্তব্য লেখার ঘটনা উল্লেখযোগ্য। এসিআর ব্যবস্থাপনায়ও এ ধরনের ত্রুটি দেখা গেছে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়।
এসব ত্রুটির কারণে কর্মকর্তারা চাকরি স্থায়ীকরণ, পদোন্নতি, পদায়ন, বৈদেশিক নিয়োগ, প্রেষণ এবং প্রশিক্ষণে মনোনয়নের ন্যূনতম যোগ্যতা অর্জনের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ে এসিআর দাখিল না হওয়ায় তা বাতিলের ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। এ পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থা প্রধানদের কর্মকর্তাদের গোপনীয় অনুবেদন বিষয়ে যথাযথ প্রশিক্ষণের আয়োজন করতে বলা হয়েছে।

