প্রগতি সরণির দুর্ভোগ: ছয় লেনের সড়কে বাস চলছে দুই লেনে
ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রগতি সরণিতে চরম যানজট সৃষ্টি হয়েছে এমআরটি লাইন-১ এবং ঢাকা ওয়াসার পাইপলাইন স্থাপন কাজের কারণে। ছয় লেনের এই সড়কের অধিকাংশ অংশ খোঁড়াখুঁড়ির কারণে প্রতিটি পাশে মাত্র এক লেন দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। এতে সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হচ্ছে যাত্রীদের।
বর্তমানে বিমানবন্দর থেকে কুড়িল হয়ে প্রগতি সরণি পর্যন্ত ইউটিলিটি হস্তান্তর প্রকল্পের কাজ চলছে, যা বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। সড়কের মোট ১২টি স্থানে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে, যার মধ্যে রয়েছে হোসেন মার্কেট, উত্তর বাড্ডা, শাহজাদপুরের কনফিডেন্ট সেন্টার, নতুনবাজার এবং যমুনা ফিউচার পার্ক।
যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে দ্বিতীয় দফায় খোঁড়াখুঁড়ি করছে ঢাকা ওয়াসা। একই স্থানে বছরখানেক আগে এমআরটি-১ এর কাজ হয়েছিল। ফলে রামপুরা থেকে কুড়িল পর্যন্ত প্রায় ৯ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সাধারণত যেখানে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে, সেখানে এখন দেড় থেকে দুই ঘণ্টা লাগছে। যাত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, বাসের মধ্যে দীর্ঘ সময় বসে থাকতে শারীরিক-মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন এবং যানজটের কারণে পুরো দিনের পরিকল্পনা এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে।
এই সড়ক দিয়ে বিমানবন্দর, কুড়িল, নতুনবাজার, বাড্ডা, রামপুরা, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও পূর্বাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ প্রতিদিন চলাচল করেন। যাত্রীদের অভিযোগ, পরিকল্পিত সমন্বয় থাকলে একাধিক সংস্থার কাজ একসঙ্গে সম্পন্ন করা সম্ভব ছিল, যা মানুষের দুর্ভোগ কমাতে পারত।

