ঈদে ৭ দিনের ছুটি শুরু, জরুরি সেবায় বাদ পড়ছেন যারা
সোমবার অফিস শেষে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য টানা ৭ দিনের ঈদুল ফিতরের ছুটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। আগামী ২১ মার্চ দেশে পবিত্র ঈদ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় সোমবার বিকেল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনাল ও সড়কমহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শবে কদর ও ঈদের ছুটির সাথে নির্বাহী আদেশে ১৮ মার্চ যুক্ত হওয়ায় এই দীর্ঘ সাত দিনের অবকাশ মিলেছে। প্রথমে ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হলেও যাতায়াতের চাপ কমাতে ১৮ মার্চ অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়। এর আগে ১৮ মার্চ ছুটির দাবি উঠলে তা মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন পায়।
তবে এই ছুটির আনন্দ সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। জনস্বার্থে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর, পরিচ্ছন্নতা অধিদপ্তর এবং ডাক বিভাগের কর্মীরা দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনে জড়িতরাও ছুটির বাইরে থাকছেন। টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও কাজ চালিয়ে যাবে।
এদিকে ব্যাংকের লেনদেন ও আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে যথাক্রমে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সুপ্রিম কোর্ট আলাদাভাবে নির্দেশনা জারি করবে। বেসরকারি খাতের শিল্প-কারখানার কর্মীদের ছুটি শ্রম আইন অনুযায়ী নির্ধারণ করবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে গণমাধ্যমকর্মীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াব গণমাধ্যমের জন্য পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে।

