৫২০০ আবেদন থেকে ৬০ জন: ঢাবিতে শুরু হলো এআই ক্রিয়েটিভ বুটক্যাম্প
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ঘিরে সৃজনশীল দক্ষতা বিকাশে দুদিনব্যাপী ‘প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ বুটক্যাম্প’ শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবন, সৃজনশীলতা ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্রে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থেকে চলমান এই আয়োজন শেষ হবে শনিবার (১৭ অক্টোবর)। ‘প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে বুটক্যাম্পটির আয়োজন করেছে স্পাইকস্টোরি লিমিটেড।
দুই দিনের কর্মশালায় আলোচনা হবে এআই দিয়ে কনটেন্ট নির্মাণ, সৃজনশীল গল্প বলা, এআই যুগে ব্র্যান্ড ও ভোক্তার সম্পর্ক, প্রচলিত প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয়ে প্রযোজনা, চলচ্চিত্র সম্পাদনা ও সম্পাদনা-পরবর্তী কাজ, জেনারেটিভ এআই, স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও তৈরি এবং এআইনির্ভর ভিডিও নির্মাণের বিষয়গুলো নিয়ে।
অধিবেশন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন নানা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরা। এঁদের মধ্যে আছেন সিবস সলিউশনের হাসিব হাসান চৌধুরী, স্পাইকস্টোরির হোসাইন আল ফারাবী, অমনি স্ট্র্যাটেজির সামি আশরাফ, ভোসুর বিজয় ঘোষ ও রায়হান হোসেন, চলচ্চিত্র নির্মাতা নাফিজ রেজা, সম্পাদনা-পরবর্তী কাজের বিশেষজ্ঞ মাহফুজুল হক আশিক, আলেফ বাংলাদেশের শাফায়াত রেজা ও সাকিব আহমেদ, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সোহেল রানা, দ্য ডেইলি স্টারের আজাদ বেগ এবং টিম ক্রিয়েটিভ ও এআই ভার্সিটির শাকিব আহমেদ।
স্পাইকস্টোরির এডিটর ইন চিফ হোসাইন আল ফারাবী জানিয়েছেন, বুটক্যাম্পে ট্রেইনারের সংখ্যা ১২ জন। মোট ৫ হাজার ২০০ জন আবেদনের মধ্যে ৬০ জনকে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। ‘মানবিক সৃজনশীলতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য মানুষের সৃজনশীল ভাবনা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনাকে এক সূত্রে বাঁধা।
আয়োজকেরা বলছেন, এখানে কেবল এআই সরঞ্জামের ব্যবহারবিধি শেখানোই উদ্দেশ্য নয়; প্রযুক্তির সঙ্গে কল্পনাশক্তি, গল্প বলার দক্ষতা, সৃজনশীল চিন্তা ও দায়বদ্ধতার সমন্বয়ই মূল বার্তা। অংশগ্রহণকারীরা প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত সৃজনশীল চ্যালেঞ্জের জন্যও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাচ্ছেন। চারটি বিভাগে আয়োজিত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তরুণ নির্মাতাদের সৃজনশীল কাজের স্বীকৃতি দেওয়া, নতুন ধারণায় পরীক্ষা-নিরীক্ষায় উৎসাহিত করা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিভাকে তুলে ধরাই এর প্রত্যাশা।

