সরকারি হলো আরও ২৭১ কলেজ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের ২৭১ কলেজকে সরকারি করা হয়েছে। রোববার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব নাছিমা খানম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত ৮ আগস্ট থেকে এসব কলেজকে সরকারি করার আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

সরকারি হওয়া কলেজগুলোর মধ্যে ঢাকা জেলার ৪টি, মানিকগঞ্জের ৪টি, নারয়ণগঞ্জের ৩টি, মুন্সীগঞ্জের ৩টি, গাজীপুরের ৩টি, নরসিংদীর ৪টি, রাজবাড়ির ২টি, শরীয়তপুরের ৪টি, ময়মনসিংহের ৮টি, কিশোরগঞ্জে ১০টি, নেত্রকোনার ৫টি, টাঙ্গাইলে ৮টি, জামালপুরে ৩টি, শেরপুরে ৩টি, চট্টগ্রামে ১০টি, কক্সবাজারে ৫টি, রাঙামাটি ৪টি, খাগড়াছড়িতে ৬টি, বান্দরবানে ৩টি, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ফেনীতে একটি করে, কুমিল্লায় ১০টি,

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৬টি, চাঁদপুরে ৭টি, সিলেটে ৯টি, হবিগঞ্জে ৫টি, মৌলভীবাজারের ৫টি, সুনামগঞ্জে ৮টি, রাজশাহীতে ৭টি, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২টি, নাটোরে ৩টি, পাবনায় ৭টি, সিরাজগঞ্জে তিনটি, নওগাঁ জেলায় ৬টি, বগুড়ায় ৬টি, জয়পুরেহাটে একটি, রংপুরে ৭টি, নীলফামারীতে ৪টি, গাইবান্ধায় ৪টি,

কুড়িগ্রামে সাতটি, দিনাজপুরে ৯টি লালমনিরহাটে ৩টি, ঠাকুরগাঁয়ে একটি, পঞ্চগড়ে ৪টি, খুলনায় ৫টি, যশোরে ৫টি, বাগেরহাটে ৬টি, ঝিনাইদহে একটি, কুষ্টিয়ায় দুটি, চুয়াডাঙ্গায় দুটি, সাতক্ষীরায় দুটি, মাগুরায় ৩টি, নড়াইলে একটি, বরিশালে ৬টি, ভোলায় ৪টি, ঝালকাঠিতে ৩টি, পিরোজপুরে দুটি, পটুয়াখালীতে ৬টি, বরগুনায় তিনটি।

উল্লেখ্য, সরকারি কলেজ না থাকা উপজেলায় একটি করে কলেজ জাতীয়করণ করতে ২০১৬ সাল থেকে তালিকাভুক্তির কাজ শুরু করে সরকার। ওই তালিকা থেকে ২৭১টি কলেজ জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

গত ২ আগস্ট এ সিদ্ধান্তের সারসংক্ষেপ অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত বৃহস্পতিবার এটি অনুমোদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

 

 

 

শেয়ার করুণঃ

shares