
পাহাড়ের পায়ে বসতি নয়, ক্ষতিগ্রস্তদের সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা
চট্টগ্রামের পাহাড়ধস দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে পাহাড়ের পাদদেশে কোনো বসতি স্থাপন না করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, প্রতি বছর পাহাড়ধসে প্রাণহানির ঘটনা যেন আর না ঘটে, সেজন্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের পর্যায়ক্রমে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে।
শনিবার (১১ জুলাই) চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ থানার বায়তুন নুর জামে মসজিদ সংলগ্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের মাঝে রান্না করা খাবার এবং শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের প্রধান তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি ক্ষতির পরিমাণ যাচাই করতে চট্টগ্রামে এসেছেন। সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় জমি ও আবাসনের ব্যবস্থা করবে। তিনি পাহাড় কাটা বন্ধে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
সম্পর্কিত খবর
চট্টগ্রামে স্কুলে স্কুলে চুরির ছোবল, নিরাপত্তাহীনতায় এলাকাবাসী
নারী কর্মসংস্থানে ডিসির অনন্য উদ্যোগ, সেলাই মেশিন পেলেন ২০ জন
মন্ত্রিসভার ১০৮ সিদ্ধান্তের ৮০টি বাস্তবায়িত, সাফল্যের হার ৭৪ শতাংশ
চট্টগ্রামে চালু হলো বিআরটিসির মহিলা বাস, জানুন রুট ও সময়সূচি
দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত
দুদকের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি আসাদুজ্জামান, সঙ্গে দুই কমিশনার

আরও পড়ুন

পাহাড়ের পায়ে বসতি নয়, ক্ষতিগ্রস্তদের সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা
চট্টগ্রামের পাহাড়ধস দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে পাহাড়ের পাদদেশে কোনো বসতি স্থাপন না করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, প্রতি বছর পাহাড়ধসে প্রাণহানির ঘটনা যেন আর না ঘটে, সেজন্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের পর্যায়ক্রমে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে।
শনিবার (১১ জুলাই) চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ থানার বায়তুন নুর জামে মসজিদ সংলগ্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের মাঝে রান্না করা খাবার এবং শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের প্রধান তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি ক্ষতির পরিমাণ যাচাই করতে চট্টগ্রামে এসেছেন। সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় জমি ও আবাসনের ব্যবস্থা করবে। তিনি পাহাড় কাটা বন্ধে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
সম্পর্কিত খবর
চট্টগ্রামে স্কুলে স্কুলে চুরির ছোবল, নিরাপত্তাহীনতায় এলাকাবাসী
নারী কর্মসংস্থানে ডিসির অনন্য উদ্যোগ, সেলাই মেশিন পেলেন…
মন্ত্রিসভার ১০৮ সিদ্ধান্তের ৮০টি বাস্তবায়িত, সাফল্যের হার ৭৪…
চট্টগ্রামে চালু হলো বিআরটিসির মহিলা বাস, জানুন রুট…
দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১…
দুদকের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি আসাদুজ্জামান, সঙ্গে দুই কমিশনার