
পাহাড়ের পায়ে বসতি নয়, ক্ষতিগ্রস্তদের সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা
চট্টগ্রামের পাহাড়ধস দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে পাহাড়ের পাদদেশে কোনো বসতি স্থাপন না করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, প্রতি বছর পাহাড়ধসে প্রাণহানির ঘটনা যেন আর না ঘটে, সেজন্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের পর্যায়ক্রমে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে।
শনিবার (১১ জুলাই) চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ থানার বায়তুন নুর জামে মসজিদ সংলগ্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের মাঝে রান্না করা খাবার এবং শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের প্রধান তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি ক্ষতির পরিমাণ যাচাই করতে চট্টগ্রামে এসেছেন। সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় জমি ও আবাসনের ব্যবস্থা করবে। তিনি পাহাড় কাটা বন্ধে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
সম্পর্কিত খবর
দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিন বন্ধ সরকারি অফিস, ১৭ অক্টোবর খোলা…
সিলিন্ডার-মাছে অনিয়ম ধরা, ৪২ জেলায় ১১৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট করতে যেসব ডকুমেন্ট রাখতে হবে হাতে
মন্ত্রিসভার অনুমোদন, ৭ নভেম্বর দেশজুড়ে সাধারণ ছুটি
ক্যাম্পাসের অরাজনৈতিক সংগঠন গুপ্ত রাজনীতির আখড়া, অভিযোগ ছাত্রদল সভাপতির
দুর্গোৎসবে সব সম্প্রদায় নিরাপদ, বিশ্বের কাছে তুলে ধরব: ডিসি জাহিদ

আরও পড়ুন

পাহাড়ের পায়ে বসতি নয়, ক্ষতিগ্রস্তদের সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা
চট্টগ্রামের পাহাড়ধস দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে পাহাড়ের পাদদেশে কোনো বসতি স্থাপন না করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, প্রতি বছর পাহাড়ধসে প্রাণহানির ঘটনা যেন আর না ঘটে, সেজন্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের পর্যায়ক্রমে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে।
শনিবার (১১ জুলাই) চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ থানার বায়তুন নুর জামে মসজিদ সংলগ্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের মাঝে রান্না করা খাবার এবং শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের প্রধান তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি ক্ষতির পরিমাণ যাচাই করতে চট্টগ্রামে এসেছেন। সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় জমি ও আবাসনের ব্যবস্থা করবে। তিনি পাহাড় কাটা বন্ধে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
সম্পর্কিত খবর
দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিন বন্ধ সরকারি অফিস, ১৭…
সিলিন্ডার-মাছে অনিয়ম ধরা, ৪২ জেলায় ১১৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট করতে যেসব ডকুমেন্ট রাখতে হবে…
মন্ত্রিসভার অনুমোদন, ৭ নভেম্বর দেশজুড়ে সাধারণ ছুটি
ক্যাম্পাসের অরাজনৈতিক সংগঠন গুপ্ত রাজনীতির আখড়া, অভিযোগ ছাত্রদল…
দুর্গোৎসবে সব সম্প্রদায় নিরাপদ, বিশ্বের কাছে তুলে ধরব:…