নেপালে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল থেকে গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে কেপি শর্মা ওলির নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে জনরোষের কারণে দেশটিতে রাজনৈতিক সংকট দেখা দেয়। জেন-জি নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের মুখে ওলির পদত্যাগের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব পান সুশীলা কার্কি।
দীর্ঘদিন ধরে নেপালের রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরে আসেনি। ১৯৯০ সালে রাজতন্ত্রের পতনের পর থেকে দেশটি মোট ৩২টি সরকারের পরিবর্তন দেখেছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, আসন্ন নির্বাচনে জেন-জি আন্দোলনের প্রভাব এবং দলীয় মহলে চীনপন্থী ও ভারতবিরোধী মতাদর্শের লড়াইয়ের কারণে এবারও শক্তিশালী সরকার গঠন কঠিন হতে পারে। ভারতীয় গবেষণা সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরাও নতুন সরকার কতটা স্থির হবে তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তারা দ্রুত ফলাফল ঘোষণায় বদ্ধপরিকর। ১৬৫টি আসনের ব্যালট বাক্স সংগ্রহের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা হবে। তবে সব ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়েই নেপালকে এই নির্বাচন অতিক্রম করতে হচ্ছে।
সম্পাদক: রাশিদা খাতুন
লালমাটিয়া হাউজিং স্টেট, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা–১২০৭, বাংলাদেশ।
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © ২০২৬ প্রাইম বার্তা