অল্প সময়ের ব্যবধানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিংয়ের দুই ঘনিষ্ঠ মিত্রকে সরাসরি টার্গেট করেছেন। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে কারাকাস থেকে মার্কিন স্পেশাল ফোর্স অপহরণ করে নিউয়র্কে আটকে রেখেছে। অন্যদিকে, ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতেও চীন কেবল ভাষাগত নিন্দা প্রকাশ করেছে, তবে মিত্রদের পাশে দাঁড়াতে কোনো বাস্তব কূটনৈতিক বা সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এখানে কঠোর বাস্তববাদ অবলম্বন করেছেন। আসন্ন মার্কিন-চীন শীর্ষ সম্মেলন এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের স্থিতিশীলতাই তার মূল অগ্রাধিকার। ওয়াশিংটনভিত্তিক ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অব ডেমোক্রেসিসের ক্রেইগ সিঙ্গেলটন বলেন, চীন ঝুঁকি নিতে পছন্দ করে না এবং তেহরানকে বড় ধরনের সামরিক সহায়তা দেবে না। এমনকি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ সরে যাওয়ায় বেইজিং অন্তর্মুখীভাবে স্বস্তি পাচ্ছে বলেও মনে করছেন অনেকে।
যদিও চীন ইরানি তেলের বড় ক্রেতা, তবুও দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা সীমিত। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের উইলিয়াম ইয়াং মনে করেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটাতে চায় না বেইজিং। গত এক বছরে যে ইতিবাচক ধারা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখতেই তারা ইরান ইস্যুতে উত্তেজনা বাড়াতে চাইছে না। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সুসম্পর্কের স্বার্থেই এই নীরবতা বেছে নিয়েছে বেইজিং।
সম্পাদক: রাশিদা খাতুন
লালমাটিয়া হাউজিং স্টেট, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা–১২০৭, বাংলাদেশ।
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © ২০২৬ প্রাইম বার্তা