মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইসরাইলের সম্ভাব্য আক্রমণের জেরে মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের পাল্টা হামলার ঝুঁকি এড়াতেই ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানের বিরুদ্ধে আগাম সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। ওয়াশিংটনের এই হঠাৎ যুদ্ধ পরিস্থিতির পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জোর দেন যে, নিজেদের সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তাদের সক্ষমতা ধ্বংসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
সোমবার (২ মার্চ) রাতে ক্যাপিটল হিলে আয়োজিত এক রুদ্ধদ্বার ব্রিফিংয়ের পর কংগ্রেসে তীব্র বিতর্ক দেখা দেয়। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। অপরদিকে, ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার একে কৌশলহীন অভিযান ও ট্রাম্পের যুদ্ধ বলে অভিহিত করেছেন। সিনেটর মার্ক ওয়ার্নারও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সরাসরি হুমকি না থাকা সত্ত্বেও এই অভিযানকে বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন।
চলমান এই বিমান হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খবরে প্রকাশ, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের ৬ জন সেনার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে, অন্যদিকে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে সেখানে মৃতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। যুদ্ধবিরোধী ডেমোক্র্যাটরা ওয়ার পাওয়ার্স রেজোলিউশন আনলেও রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে তা বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
সম্পাদক: রাশিদা খাতুন
লালমাটিয়া হাউজিং স্টেট, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা–১২০৭, বাংলাদেশ।
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © ২০২৬ প্রাইম বার্তা