ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব যদি বাস্তববাদী হওয়ার প্রমাণ দেয়, তবে দেশটির ওপর আরোপিত সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাতে ওয়াশিংটন সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করবে কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনো সুস্পষ্ট মন্তব্য করেননি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে পরিচিত এই অভিযানে তেহরানসহ দেশটির প্রধান শহরগুলোতে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করা হয়। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করাই এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল। এতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ নেতারা নিহত হওয়ায় ইরানে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক এই সামরিক পদক্ষেপ সম্পর্কে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এখনই কোনো নির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন না। তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যের চেয়ে অনেক এগিয়ে গেছে বলেও দাবি করেন তিনি। অপরদিকে, ইরানের সামরিক বাহিনীর কমান্ড সিস্টেম ভেঙে পড়ায় এবং সেনা সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি এর ইতিমধ্যেই পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
সম্পাদক: রাশিদা খাতুন
লালমাটিয়া হাউজিং স্টেট, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা–১২০৭, বাংলাদেশ।
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © ২০২৬ প্রাইম বার্তা