মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বর্তমান সরকার ব্যবস্থা উৎখাতের লক্ষ্যে সরাসরি সামরিক হামলার পথ বেছে নিয়েছেন। শনিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়ার খবরের পরপরই ট্রাম্প এই সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন। ইরাক বা ভেনেজুয়েলায় গত দুই দশকে যুক্তরাষ্ট্র যে নীতি অবলম্বন করেছিল, ইরানের ক্ষেত্রে তার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পথে হাঁটছেন তিনি।
হামলা শুরুর পর এক ভিডিও বার্তায় ট্রাম্প ইরানি নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, যখন আমেরিকার অভিযান শেষ হবে, তখন তাদের উচিত নিজেদের সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। তিনি একে তাদের প্রজন্মের জন্য একমাত্র সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। অ্যাক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি হয় দীর্ঘমেয়াদে দেশটি দখল করে রাখতে পারেন, অথবা দুই-তিন দিনের মধ্যে অভিযান শেষ করে সতর্ক করে দিতে পারেন যে, পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পুনর্গঠন করলে তাদের আবারও মোকাবিলা করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার ফল। ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক পিটার মানসুর বলেছেন, ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের সময় ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থা নিয়ে যে পরিকল্পনা ছিল, ইরানের ক্ষেত্রে তেমন কোনো স্পষ্ট ধারণা এখনো দেখা যাচ্ছে না। এটি পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে, কারণ এই অভিযানের ধরন গত দুই দশকের মার্কিন পররাষ্ট্র নীতির চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা।
সম্পাদক: রাশিদা খাতুন
লালমাটিয়া হাউজিং স্টেট, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা–১২০৭, বাংলাদেশ।
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © ২০২৬ প্রাইম বার্তা