দীর্ঘ দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নতুন সরকার গঠন করেছে। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা ঘোষণা করেছেন। এই মন্ত্রিসভায় দলের স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্য স্থান পেলেও প্রবীণ নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে রাখা হয়নি। এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে যে, তাকে সম্মানজনক রাষ্ট্রপতির পদে আনা হতে পারে।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন দলের অত্যন্ত প্রভাবশালী ও গ্রহণযোগ্য নেতা। খালেদা জিয়ার সরকারে তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবেও তার সুনাম রয়েছে। কুমিল্লা থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত এই নেতা সর্বশেষ নির্বাচনেও জয়ী হয়েছেন। তার ঘনিষ্ঠ সূত্রমতে, বয়স ও অভিজ্ঞতা বিবেচনায় তাকে সরকারের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দেখা হতে পারে। এ বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, দল যেকোনো দায়িত্ব দিলে তিনি নিষ্ঠার সাথে তা পালন করবেন।
অপরদিকে, বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদ ছাড়তে আগ্রহী বলে জানা গেছে। গত ডিসেম্বরে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় অপমানিত বোধ করার কথা উল্লেখ করে নির্বাচনের পর সরে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদ সদস্যদের ভোটে। ফলে নতুন সংসদ কার্যকর হলেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, নতুন সরকার গঠনের পরপরই বঙ্গভবনে নতুন মুখ দেখা যাবে।
সম্পাদক: রাশিদা খাতুন
লালমাটিয়া হাউজিং স্টেট, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা–১২০৭, বাংলাদেশ।
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © ২০২৬ প্রাইম বার্তা