
বাঁশখালীতে বন্যার ক্ষত সারাতে হিমশিম, পুনর্বাসনে ধীরগতি
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের স্থায়ী ক্ষত নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী সংকটে পড়েছেন স্থানীয়রা। গত মাসের সেই ভয়াবহ বন্যার এক মাস পার হলেও ঘর হারানো মানুষগুলোর দুর্দশা কোনোভাবেই কমেনি। গৃহহীন হাজার হাজার পরিবার এখনো আশ্রয়ের খোঁজে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘক্ষণ পানির নিচে থাকায় মাটির ঘরগুলোর ভিত্তি ও দেওয়াল দুর্বল হয়ে যায়। পানি সরে যাওয়ার পরই এসব ঘর ধসে পড়তে থাকে। ফলে অনেকে আত্মীয়বাড়ি কিংবা আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিলেও অনেককে ধ্বংসস্তূপের পাশেই মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। খাদ্য বা ওষুধের সংকট কিছুটা কমলেও ঘর নির্মাণের জন্য টাকা বা উপকরণের অভাবে তারা দিশাহারা। এছাড়া উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রামীণ সড়ক বিগত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এখনো মেরামতের অপেক্ষায় রয়েছে।
এ বিষয়ে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন জানান, এখন পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে মোট ২০ শতাংশ মানুষকে পুনর্বাসনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, পুনর্বাসন একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া এবং বাকি ৮০ শতাংশ মানুষকেও ধীরে ধীরে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
সম্পর্কিত খবর
এপ্রিলেই শুরু হবে নতুন অর্থবছর, রূপরেখা তৈরিতে কমিটি
সাত মাসে ১২ হাজার মামলা, থামছেই না নারী ও শিশু…
অর্থবছর এপ্রিল-মার্চে: রূপরেখা তৈরিতে গঠন হলো পাঁচ সদস্যের কমিটি
মাদক দমনে সামাজিক আন্দোলন গড়তে হাটহাজারীতে এসপি মাসুদের আহ্বান
আবহাওয়া অধিদপ্তর: ঢাকায় হালকা বৃষ্টি ও তাপমাত্রা কমার পূর্বাভাস
হালাল সনদ ও মান নির্ধারণের দায়িত্ব পেল ধর্ম মন্ত্রণালয়

আরও পড়ুন

বাঁশখালীতে বন্যার ক্ষত সারাতে হিমশিম, পুনর্বাসনে ধীরগতি
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের স্থায়ী ক্ষত নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী সংকটে পড়েছেন স্থানীয়রা। গত মাসের সেই ভয়াবহ বন্যার এক মাস পার হলেও ঘর হারানো মানুষগুলোর দুর্দশা কোনোভাবেই কমেনি। গৃহহীন হাজার হাজার পরিবার এখনো আশ্রয়ের খোঁজে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘক্ষণ পানির নিচে থাকায় মাটির ঘরগুলোর ভিত্তি ও দেওয়াল দুর্বল হয়ে যায়। পানি সরে যাওয়ার পরই এসব ঘর ধসে পড়তে থাকে। ফলে অনেকে আত্মীয়বাড়ি কিংবা আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিলেও অনেককে ধ্বংসস্তূপের পাশেই মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। খাদ্য বা ওষুধের সংকট কিছুটা কমলেও ঘর নির্মাণের জন্য টাকা বা উপকরণের অভাবে তারা দিশাহারা। এছাড়া উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রামীণ সড়ক বিগত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এখনো মেরামতের অপেক্ষায় রয়েছে।
এ বিষয়ে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন জানান, এখন পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে মোট ২০ শতাংশ মানুষকে পুনর্বাসনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, পুনর্বাসন একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া এবং বাকি ৮০ শতাংশ মানুষকেও ধীরে ধীরে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
সম্পর্কিত খবর
এপ্রিলেই শুরু হবে নতুন অর্থবছর, রূপরেখা তৈরিতে কমিটি
সাত মাসে ১২ হাজার মামলা, থামছেই না নারী…
অর্থবছর এপ্রিল-মার্চে: রূপরেখা তৈরিতে গঠন হলো পাঁচ সদস্যের…
মাদক দমনে সামাজিক আন্দোলন গড়তে হাটহাজারীতে এসপি মাসুদের…
আবহাওয়া অধিদপ্তর: ঢাকায় হালকা বৃষ্টি ও তাপমাত্রা কমার…
হালাল সনদ ও মান নির্ধারণের দায়িত্ব পেল ধর্ম…