
চট্টগ্রামে গ্যাসের তীব্র সংকট: বন্ধ শিল্প, বিপর্যস্ত যানবাহন
চট্টগ্রামের অর্থনীতির চালিকাশক্তি শিল্প ও পরিবহন খাত এখন গ্যাস সংকটে কার্যত অচল। গত কয়েকদিন ধরে নগরীতে গ্যাসের চাপ অত্যন্ত কম থাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।
শিল্প এলাকাগুলোর অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। অনেক কারখানায় উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে, আবার কোনো কোনো জায়গায় তা সক্ষমতার অর্ধেকে নেমে এসেছে। গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও, যার ফলে দফায় দফায় লোডশেডিং হচ্ছে।
সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সিএনজি অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা। ফিরিঙ্গী বাজার এলাকার কর্ণফুলী গ্যাস ফিলিং স্টেশনে ভোর সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। বৃষ্টি উপেক্ষা করে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন চালক নুরুল আলম। তিনি সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও গ্যাস পাননি। দীর্ঘ সময় স্টেশনে আটকা পড়ার কারণে তাদের আয় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
এই সংকট শুধু পরিবহন বা শিল্পেই সীমাবদ্ধ নেই, আবাসিক এলাকাগুলোতেও চুলা জ্বালানো দুষ্কর হয়ে পড়েছে। গোটা নগরজুড়ে এখন একই হাহাকার।
সম্পর্কিত খবর
চকবাজারে চার ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন, বাধার মুখে ফায়ার সার্ভিস
সচিবালয়ে কড়াকড়ি: প্রবেশ, পার্কিং ও দর্শনার্থী পাসে নতুন ৯ নিয়ম
পার্টিতে কেন যান না নানা পাটেকর? রাগ নিয়ে বন্ধুকে যা…
দুর্গাপূজায় নৌপথে কঠোর নিয়ন্ত্রণ: রাতের স্পিডবোট বন্ধসহ ১৬ নির্দেশনা
পরিত্যক্ত জালে আটকা অজগরের মুক্তি, ফিরল হাজারীখীল অভয়ারণ্যের বুকে
সচিবালয়ে কঠোর নিয়ন্ত্রণ: দর্শনার্থী পাস সীমিত, দুপুর ১২টার আগে প্রবেশ…

আরও পড়ুন

চট্টগ্রামে গ্যাসের তীব্র সংকট: বন্ধ শিল্প, বিপর্যস্ত যানবাহন
চট্টগ্রামের অর্থনীতির চালিকাশক্তি শিল্প ও পরিবহন খাত এখন গ্যাস সংকটে কার্যত অচল। গত কয়েকদিন ধরে নগরীতে গ্যাসের চাপ অত্যন্ত কম থাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।
শিল্প এলাকাগুলোর অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। অনেক কারখানায় উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে, আবার কোনো কোনো জায়গায় তা সক্ষমতার অর্ধেকে নেমে এসেছে। গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও, যার ফলে দফায় দফায় লোডশেডিং হচ্ছে।
সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সিএনজি অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা। ফিরিঙ্গী বাজার এলাকার কর্ণফুলী গ্যাস ফিলিং স্টেশনে ভোর সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। বৃষ্টি উপেক্ষা করে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন চালক নুরুল আলম। তিনি সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও গ্যাস পাননি। দীর্ঘ সময় স্টেশনে আটকা পড়ার কারণে তাদের আয় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
এই সংকট শুধু পরিবহন বা শিল্পেই সীমাবদ্ধ নেই, আবাসিক এলাকাগুলোতেও চুলা জ্বালানো দুষ্কর হয়ে পড়েছে। গোটা নগরজুড়ে এখন একই হাহাকার।
সম্পর্কিত খবর
চকবাজারে চার ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন, বাধার মুখে…
সচিবালয়ে কড়াকড়ি: প্রবেশ, পার্কিং ও দর্শনার্থী পাসে নতুন…
পার্টিতে কেন যান না নানা পাটেকর? রাগ নিয়ে…
দুর্গাপূজায় নৌপথে কঠোর নিয়ন্ত্রণ: রাতের স্পিডবোট বন্ধসহ ১৬…
পরিত্যক্ত জালে আটকা অজগরের মুক্তি, ফিরল হাজারীখীল অভয়ারণ্যের…
সচিবালয়ে কঠোর নিয়ন্ত্রণ: দর্শনার্থী পাস সীমিত, দুপুর ১২টার…