
চট্টগ্রাম বন্দরে ৯১ টন নষ্ট এনার্জি ড্রিংক ও শ্যাম্পু ধ্বংসের সিদ্ধান্ত
চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা প্রায় ৯১ টন পণ্য ধ্বংস করার উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিপুল পরিমাণ এনার্জি ড্রিংক এবং শ্যাম্পু, যা পাঁচটি কনটেইনারে পড়েছিল। মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় এগুলো আর মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে আমদানি করা হলেও নানা আইনি জটিলতার কারণে এই পণ্যগুলোর খালাস সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন বন্দরে পড়ে থেকে তা নষ্ট হয়ে গেছে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর নির্দেশনা অনুযায়ী ধ্বংস কমিটির সভায় এসব পণ্য ধ্বংসের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এজন্য কাজ করছে চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান কেএম করপোরেশন। প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক পণ্য ধ্বংসের সব ধরনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া গণতন্ত্র সৌন্দর্যহীন: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে চিফ হুইপ
শিক্ষার্থীদের মৃত্যুতে চুয়েটে সব পুকুরে পানিতে নামা নিষিদ্ধ
ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে অর্থ পাচার, জুয়া চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার
বাংলাদেশ-সৌদি রুটে ফ্লাইট বাড়লো, সস্তায় মিলবে টিকিট
দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান আইজিপির
প্রশাসনে বড় বদলি: রাজশাহীতে মামুন, ঝালকাঠিতে মেরিন সুলতানা

চট্টগ্রাম বন্দরে ৯১ টন নষ্ট এনার্জি ড্রিংক ও শ্যাম্পু ধ্বংসের সিদ্ধান্ত
চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা প্রায় ৯১ টন পণ্য ধ্বংস করার উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিপুল পরিমাণ এনার্জি ড্রিংক এবং শ্যাম্পু, যা পাঁচটি কনটেইনারে পড়েছিল। মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় এগুলো আর মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে আমদানি করা হলেও নানা আইনি জটিলতার কারণে এই পণ্যগুলোর খালাস সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন বন্দরে পড়ে থেকে তা নষ্ট হয়ে গেছে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর নির্দেশনা অনুযায়ী ধ্বংস কমিটির সভায় এসব পণ্য ধ্বংসের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এজন্য কাজ করছে চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান কেএম করপোরেশন। প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক পণ্য ধ্বংসের সব ধরনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া গণতন্ত্র সৌন্দর্যহীন: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে চিফ…
শিক্ষার্থীদের মৃত্যুতে চুয়েটে সব পুকুরে পানিতে নামা নিষিদ্ধ
ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে অর্থ পাচার, জুয়া চক্রের ৫ সদস্য…
বাংলাদেশ-সৌদি রুটে ফ্লাইট বাড়লো, সস্তায় মিলবে টিকিট
দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান…
প্রশাসনে বড় বদলি: রাজশাহীতে মামুন, ঝালকাঠিতে মেরিন সুলতানা
