জমি রেজিস্ট্রিতে স্বেচ্ছাচারিতা, সরকারি ফি উপেক্ষা করে বাটোয়ারা
জমি নিবন্ধনে সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। সরকার নির্ধারিত ফি থাকলেও তা মেনে চলছে না বাস্তবে। দলিল লেখক থেকে শুরু করে রেজিস্ট্রি অফিসের দালাল চক্রটি গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে নিচ্ছে, যার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল করতে গেলে সরকারি খরচের বাইরে নানা অজুহাতে টাকা আদায় করা হয়। এই অতিরিক্ত অর্থের ভাগ বণ্টন হয় সাব-রেজিস্ট্রার, জেলা রেজিস্ট্রার এবং অফিসের অন্যান্য কর্মচারীদের মধ্যে। দলিল লেখক সমিতির তহবিলেও যায় একটি অংশ। এমনকি নকল নেওয়ার জন্যও গ্রাহককে গুণতে হয় বাড়তি অর্থ।

দলিল লেখকদের যুক্তি, সরকার নির্ধারিত ফি এতই কম যে তা দিয়ে জীবনধারণ করা অসম্ভব। তাই প্রয়োজনের খাতিরে তারা ক্রেতার সম্মতিতে বাস্তবসম্মত ফি আদায় করেন। তবে রসিদ বিহীন এই লেনদেন এবং সরকারি ফির তালিকা প্রদর্শন না করার বিষয়টি স্পষ্টতই অনিয়মের পরিচয় দেয়, যা দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত থাকলেও প্রশাসনের তদারকি অনুপস্থিত।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল ১৮৫টি ফর্ম
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ, গ্রেফতার ১৯৭
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১ লাখ টাকার…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০ হর্ন
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে সবাই
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই যুবক

আরও পড়ুন
জমি রেজিস্ট্রিতে স্বেচ্ছাচারিতা, সরকারি ফি উপেক্ষা করে বাটোয়ারা
জমি নিবন্ধনে সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। সরকার নির্ধারিত ফি থাকলেও তা মেনে চলছে না বাস্তবে। দলিল লেখক থেকে শুরু করে রেজিস্ট্রি অফিসের দালাল চক্রটি গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে নিচ্ছে, যার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল করতে গেলে সরকারি খরচের বাইরে নানা অজুহাতে টাকা আদায় করা হয়। এই অতিরিক্ত অর্থের ভাগ বণ্টন হয় সাব-রেজিস্ট্রার, জেলা রেজিস্ট্রার এবং অফিসের অন্যান্য কর্মচারীদের মধ্যে। দলিল লেখক সমিতির তহবিলেও যায় একটি অংশ। এমনকি নকল নেওয়ার জন্যও গ্রাহককে গুণতে হয় বাড়তি অর্থ।

দলিল লেখকদের যুক্তি, সরকার নির্ধারিত ফি এতই কম যে তা দিয়ে জীবনধারণ করা অসম্ভব। তাই প্রয়োজনের খাতিরে তারা ক্রেতার সম্মতিতে বাস্তবসম্মত ফি আদায় করেন। তবে রসিদ বিহীন এই লেনদেন এবং সরকারি ফির তালিকা প্রদর্শন না করার বিষয়টি স্পষ্টতই অনিয়মের পরিচয় দেয়, যা দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত থাকলেও প্রশাসনের তদারকি অনুপস্থিত।
সম্পর্কিত খবর
ঘরে বসেই ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সনদ, মাইগভে খুলে গেল…
ফ্রান্সের পথেই উত্তাল ইতালি: বিক্ষোভে আহত ১৪১ পুলিশ,…
আত্মীয়ের সোনা আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ১, উদ্ধার ১১…
শব্দদূষণ রোধে ফটিকছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জব্দ ১০…
মোহাম্মদপুরে ‘মাদক অভিযানে’ যুবকের মাথা ফাটল, দায় এড়াচ্ছে…
আইফোন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্কুলছাত্রী অপহরণ, গ্রেফতার দুই…