
ডেমরায় বাথরুমে কলেজছাত্রীর লাশ, অভিমানে আত্মহত্যার অভিযোগ
রাজধানীর ডেমরা থানার সারুলিয়া এলাকায় পারিবারিক অশান্তির জেরে এক কলেজছাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। গলায় ওড়না পেঁচিয়ে বাথরুমে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শিক্ষার্থীর নাম মোছা. সাহিমা আক্তার খুশি (২৩)। তিনি দনিয়া ডিগ্রি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন এবং সারুলিয়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ শাহিন হোসেনের মেয়ে। গত বুধবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত পৌনে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
সাহিমার চাচা মো. মহসিন হোসেন জানান, সকালে নিজ রুমের বাথরুমের ঝর্ণার পাইপের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান। তিনি ধারণা করছেন, পারিবারিক কোনো বিষয় নিয়ে অভিমান করেই এই পদক্ষেপ নিয়েছেন সাহিমা।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার: দুর্গাপূজায় বাড়তি অনুদান ও পাঁচ দিনের ছুটি
দেড় হাজার মিয়ানমারি নাগরিককে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
ইঞ্জিন বিকল হয়ে সমুদ্রে আটকা পড়া ১৩ জেলেকে উদ্ধার করেছে…
বোয়িং-এয়ারবাস কেনায় কোনো চাপ নয়, সিদ্ধান্ত হবে প্রয়োজনে
মাছে-ভাতে বাঙালির ঐতিহ্য ধরে রাখতে মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে হবে প্রতিমন্ত্রী…
হুমকিতে থামবে না আন্দোলন, মধ্যরাতে বিক্ষোভে চুয়েট শিক্ষার্থীরা

আরও পড়ুন

ডেমরায় বাথরুমে কলেজছাত্রীর লাশ, অভিমানে আত্মহত্যার অভিযোগ
রাজধানীর ডেমরা থানার সারুলিয়া এলাকায় পারিবারিক অশান্তির জেরে এক কলেজছাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। গলায় ওড়না পেঁচিয়ে বাথরুমে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শিক্ষার্থীর নাম মোছা. সাহিমা আক্তার খুশি (২৩)। তিনি দনিয়া ডিগ্রি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন এবং সারুলিয়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ শাহিন হোসেনের মেয়ে। গত বুধবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত পৌনে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
সাহিমার চাচা মো. মহসিন হোসেন জানান, সকালে নিজ রুমের বাথরুমের ঝর্ণার পাইপের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান। তিনি ধারণা করছেন, পারিবারিক কোনো বিষয় নিয়ে অভিমান করেই এই পদক্ষেপ নিয়েছেন সাহিমা।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার: দুর্গাপূজায় বাড়তি অনুদান ও পাঁচ…
দেড় হাজার মিয়ানমারি নাগরিককে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া, নিরাপত্তা…
ইঞ্জিন বিকল হয়ে সমুদ্রে আটকা পড়া ১৩ জেলেকে…
বোয়িং-এয়ারবাস কেনায় কোনো চাপ নয়, সিদ্ধান্ত হবে প্রয়োজনে
মাছে-ভাতে বাঙালির ঐতিহ্য ধরে রাখতে মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে…
হুমকিতে থামবে না আন্দোলন, মধ্যরাতে বিক্ষোভে চুয়েট শিক্ষার্থীরা