
চট্টগ্রামের ৮০ শতাংশ এলাকা পানিমুক্ত: নিচু এলাকায় চলছে উদ্ধার
টানা বর্ষণ ও জোয়ারের প্রভাবে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা থেকে চট্টগ্রাম নগরীর প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা এখন পানিমুক্ত হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বাকি থাকা নিচু এলাকাগুলো থেকেও খুব দ্রুত পানি অপসারণের কাজ চলমান রয়েছে।
এদিন নগরের চান্দগাঁও থানায় অবস্থিত হাজীরপোল, বালুরটাল, শমসেরপাড়া এবং আনন্দ আবাসিক এলাকাসহ বিভিন্ন জলাকর্মী স্থান পরিদর্শনে যান মেয়র। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ। পরিদর্শনকালে তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলে দুর্ভোগের কারণ ও সমাধানের উপায় খতিয়ে দেখেন।
মেয়র শাহাদাত হোসেন জানান, অধিকাংশ এলাকা পানিমুক্ত হলেও যেসব স্থানে এখনো পানি জমে আছে, সেখানে ড্রেনেজ ব্যবস্থার সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানে কাজ করা হচ্ছে। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় প্রতিবন্ধকতা দূর করে নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, অচিরেই সমগ্র নগরী জলাবদ্ধতার হাত থেকে মুক্ত হবে।
সম্পর্কিত খবর
দেড় হাজার মিয়ানমারি নাগরিককে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
ইঞ্জিন বিকল হয়ে সমুদ্রে আটকা পড়া ১৩ জেলেকে উদ্ধার করেছে…
বোয়িং-এয়ারবাস কেনায় কোনো চাপ নয়, সিদ্ধান্ত হবে প্রয়োজনে
মাছে-ভাতে বাঙালির ঐতিহ্য ধরে রাখতে মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে হবে প্রতিমন্ত্রী…
হুমকিতে থামবে না আন্দোলন, মধ্যরাতে বিক্ষোভে চুয়েট শিক্ষার্থীরা
৫৫ বছরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী: ঢাকা সেনানিবাসে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন

আরও পড়ুন

চট্টগ্রামের ৮০ শতাংশ এলাকা পানিমুক্ত: নিচু এলাকায় চলছে উদ্ধার
টানা বর্ষণ ও জোয়ারের প্রভাবে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা থেকে চট্টগ্রাম নগরীর প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা এখন পানিমুক্ত হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বাকি থাকা নিচু এলাকাগুলো থেকেও খুব দ্রুত পানি অপসারণের কাজ চলমান রয়েছে।
এদিন নগরের চান্দগাঁও থানায় অবস্থিত হাজীরপোল, বালুরটাল, শমসেরপাড়া এবং আনন্দ আবাসিক এলাকাসহ বিভিন্ন জলাকর্মী স্থান পরিদর্শনে যান মেয়র। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ। পরিদর্শনকালে তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলে দুর্ভোগের কারণ ও সমাধানের উপায় খতিয়ে দেখেন।
মেয়র শাহাদাত হোসেন জানান, অধিকাংশ এলাকা পানিমুক্ত হলেও যেসব স্থানে এখনো পানি জমে আছে, সেখানে ড্রেনেজ ব্যবস্থার সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানে কাজ করা হচ্ছে। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় প্রতিবন্ধকতা দূর করে নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, অচিরেই সমগ্র নগরী জলাবদ্ধতার হাত থেকে মুক্ত হবে।
সম্পর্কিত খবর
দেড় হাজার মিয়ানমারি নাগরিককে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া, নিরাপত্তা…
ইঞ্জিন বিকল হয়ে সমুদ্রে আটকা পড়া ১৩ জেলেকে…
বোয়িং-এয়ারবাস কেনায় কোনো চাপ নয়, সিদ্ধান্ত হবে প্রয়োজনে
মাছে-ভাতে বাঙালির ঐতিহ্য ধরে রাখতে মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে…
হুমকিতে থামবে না আন্দোলন, মধ্যরাতে বিক্ষোভে চুয়েট শিক্ষার্থীরা
৫৫ বছরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী: ঢাকা সেনানিবাসে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন