
চসিকের বিশাল কর্মসূচি: সাড়ে ৫ লাখ শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নগরব্যাপী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। গত রোববার (২৮ জুন) এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। শিশুদের অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়।
নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের সাতটি ইপিআই জোনের আওতায় ১ হাজার ৩২১টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এবার প্রায় ৫ লাখ ৬৪ হাজার শিশুকে এই সেবার আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে চসিক। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ৯২ হাজার শিশুকে নীল রঙের (১ লাখ আইইউ) এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ৪ লাখ ৭২ হাজার শিশুকে লাল রঙের (২ লাখ আইইউ) ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
মেয়র জানান, জন্মের পর থেকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শিশুদের মায়ের বুকের দুধেই ভিটামিন ‘এ’-র প্রয়োজনীয়তা মেটানো হয়। এছাড়া গত চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে যারা ইতিমধ্যে এই ক্যাপসুল সেবন করেছে, তাদের পুনরায় খাওয়ানো হবে না। তবে যাতে কোনো শিশুই এই কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সে জন্য ভ্রাম্যমাণ টিমের মাধ্যমে পথশিশুদেরও ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
দেড় হাজার মিয়ানমারি নাগরিককে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
ইঞ্জিন বিকল হয়ে সমুদ্রে আটকা পড়া ১৩ জেলেকে উদ্ধার করেছে…
বোয়িং-এয়ারবাস কেনায় কোনো চাপ নয়, সিদ্ধান্ত হবে প্রয়োজনে
মাছে-ভাতে বাঙালির ঐতিহ্য ধরে রাখতে মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে হবে প্রতিমন্ত্রী…
হুমকিতে থামবে না আন্দোলন, মধ্যরাতে বিক্ষোভে চুয়েট শিক্ষার্থীরা
৫৫ বছরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী: ঢাকা সেনানিবাসে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন

আরও পড়ুন

চসিকের বিশাল কর্মসূচি: সাড়ে ৫ লাখ শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নগরব্যাপী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। গত রোববার (২৮ জুন) এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। শিশুদের অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়।
নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের সাতটি ইপিআই জোনের আওতায় ১ হাজার ৩২১টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এবার প্রায় ৫ লাখ ৬৪ হাজার শিশুকে এই সেবার আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে চসিক। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ৯২ হাজার শিশুকে নীল রঙের (১ লাখ আইইউ) এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ৪ লাখ ৭২ হাজার শিশুকে লাল রঙের (২ লাখ আইইউ) ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
মেয়র জানান, জন্মের পর থেকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শিশুদের মায়ের বুকের দুধেই ভিটামিন ‘এ’-র প্রয়োজনীয়তা মেটানো হয়। এছাড়া গত চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে যারা ইতিমধ্যে এই ক্যাপসুল সেবন করেছে, তাদের পুনরায় খাওয়ানো হবে না। তবে যাতে কোনো শিশুই এই কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সে জন্য ভ্রাম্যমাণ টিমের মাধ্যমে পথশিশুদেরও ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
দেড় হাজার মিয়ানমারি নাগরিককে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া, নিরাপত্তা…
ইঞ্জিন বিকল হয়ে সমুদ্রে আটকা পড়া ১৩ জেলেকে…
বোয়িং-এয়ারবাস কেনায় কোনো চাপ নয়, সিদ্ধান্ত হবে প্রয়োজনে
মাছে-ভাতে বাঙালির ঐতিহ্য ধরে রাখতে মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে…
হুমকিতে থামবে না আন্দোলন, মধ্যরাতে বিক্ষোভে চুয়েট শিক্ষার্থীরা
৫৫ বছরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী: ঢাকা সেনানিবাসে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন