
ঈদের ছুটিতে যমুনা সেতুতে ৮ দিনে ২ লাখ গাড়ি, টোল আদায় ১৮ কোটি

ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে যমুনা সেতু দিয়ে ব্যাপক যানবাহন পারাপার হয়েছে। গত ১৬ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত আট দিনে এই সেতু দিয়ে ২ লাখ ৫৪ হাজারেরও বেশি গাড়ি চলাচল করেছে, যার ফলে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে প্রায় ১৮ কোটি টাকার টোল আদায় হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ মার্চ দিবাগত রাত ১২টা থেকে ২৩ মার্চ দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ২ লাখ ৫৪ হাজার ১৭৫টি যানবাহন সেতু পাড় করে। এই সময়ে মোট ১৭ কোটি ৬৫ লাখ ৬২ হাজার ৮০০ টাকা টোল আদায় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ মার্চ সবচেয়ে ব্যস্ততম দিন ছিল, যেদিন ৫১ হাজার ৫৯২টি গাড়ি পারাপার হয়। এছাড়া ১৭ ও ১৮ মার্চ দুই দিনেই টোল আদায় হয় প্রায় সাত কোটি টাকারও বেশি।
যানজট নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুত টোল আদায়ের জন্য সেতুর দুই পাড়ে ১৮টি বুথ স্থাপন করা হয়েছিল এবং মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়। যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, এবার ঘরমুখো মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পেরেছে। ঈদের আগের দিন বাদে সেতু এলাকায় তেমন কোনো তীব্র যানজট বা চাপ তৈরি হয়নি।
আরব আমিরাতের ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টিতে (ILT20) আজ ছিল বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের একচ্ছত্র আধিপত্যের দিন। একই দিনে পৃথক দুই ম্যাচে মাঠ মাতালেন সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান। শুধু বল হাতে নয় ঈদ যাত্রা টোল আদায় ঢাকা যানজট যমুনা সেতু
সম্পর্কিত খবর
কালুখালীতে উৎসবমুখর পরিবেশ ও নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উৎযাপন
সুস্থ হৃদয়ের জন্য খেলাধুলা: মিরপুরে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সেমিনার
মিরপুরে হার্ট ফাউন্ডেশনের সেমিনার: খেলাধুলায় সুস্থ হৃদয়
সুস্থ হার্টের জন্য খেলাধুলা, মিরপুরে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সেমিনার
হৃদরোগ প্রতিরোধে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন
সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভিশাপ এড়ানোর আহ্বান বদিউল আলমের

আরও পড়ুন

ঈদের ছুটিতে যমুনা সেতুতে ৮ দিনে ২ লাখ গাড়ি, টোল আদায় ১৮ কোটি

ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে যমুনা সেতু দিয়ে ব্যাপক যানবাহন পারাপার হয়েছে। গত ১৬ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত আট দিনে এই সেতু দিয়ে ২ লাখ ৫৪ হাজারেরও বেশি গাড়ি চলাচল করেছে, যার ফলে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে প্রায় ১৮ কোটি টাকার টোল আদায় হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ মার্চ দিবাগত রাত ১২টা থেকে ২৩ মার্চ দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ২ লাখ ৫৪ হাজার ১৭৫টি যানবাহন সেতু পাড় করে। এই সময়ে মোট ১৭ কোটি ৬৫ লাখ ৬২ হাজার ৮০০ টাকা টোল আদায় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ মার্চ সবচেয়ে ব্যস্ততম দিন ছিল, যেদিন ৫১ হাজার ৫৯২টি গাড়ি পারাপার হয়। এছাড়া ১৭ ও ১৮ মার্চ দুই দিনেই টোল আদায় হয় প্রায় সাত কোটি টাকারও বেশি।
যানজট নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুত টোল আদায়ের জন্য সেতুর দুই পাড়ে ১৮টি বুথ স্থাপন করা হয়েছিল এবং মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়। যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, এবার ঘরমুখো মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পেরেছে। ঈদের আগের দিন বাদে সেতু এলাকায় তেমন কোনো তীব্র যানজট বা চাপ তৈরি হয়নি।
সম্পর্কিত খবর
কালুখালীতে উৎসবমুখর পরিবেশ ও নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ…