ইরানের সামরিক হুমকির মুখে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ায় বিশ্ব বাণিজ্যে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দেশটি এই পদক্ষেপ নেয়, যার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে তৈরি হয়েছে গুরুতর শঙ্কা।
এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে চীনে তেল পরিবহনের খরচ রেকর্ড সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের বরাত দিয়ে জানা গেছে, প্রায় দুই মিলিয়ন ব্যারেল তেল বহনক্ষম সুপারট্যাংকারের ভাড়া চার লাখ ডলার অতিক্রম করেছে, যা গত সপ্তাহে আমেরিকার হুমকির সময়কার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহের একমাত্র পথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে সৌদি আরব, ইরাক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো তাদের রপ্তানি পণ্য পাঠায়, যা এখন হুমকির মুখে পড়েছে।
এই সংকট ইতিমধ্যেই বৈশ্বিক বাজারে প্রভাব ফেলেছে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেলে প্রায় ৭৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম শত ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাকসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রণালীটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বিরূপ প্রভাব পড়বে এবং তেলের মূল্য ১০০ ডলার অতিক্রম করতে পারে।
সম্পাদক: রাশিদা খাতুন
লালমাটিয়া হাউজিং স্টেট, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা–১২০৭, বাংলাদেশ।
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © ২০২৬ প্রাইম বার্তা